Kamal Auto Engineering Workshop

Kamal Auto Engineering Workshop Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kamal Auto Engineering Workshop, Tamabil Road, Jaintapur, Sylhet.

25/10/2018

"হুট করে রাস্তায় চাকা লিক হলে ঝটপট সমাধান"

আমরা লাখ দুই লাখ টাকা খরচ করে মটর সাইকেল কিনতে পারি সময় বাঁচানোর জন্য বা একটু দ্রুত চলাফেরা করার জন্য কিন্তু নিজের নিরাপ...
25/10/2017

আমরা লাখ দুই লাখ টাকা খরচ করে মটর সাইকেল কিনতে পারি সময় বাঁচানোর জন্য বা একটু দ্রুত চলাফেরা করার জন্য কিন্তু নিজের নিরাপত্তার জন্য হাজার দু'এক টাকা খরচ করে হেলমেট কিনতে আসলেমি করি। কিনলেও তা ব্যবহার করিনা, যার ফলে দুর্ঘটনার ধরন স্বাভাবিক হলেও অনেক সময় ক্ষতির পরিমাণ টা হয় অস্বাভাবিক।

আর যেখানে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আলসেমির একটা অভ্যাস আছে সেখানে লাখ টাকা দামের মটর বাইকের নিরাপত্তার কথা তো চিন্তাও করতে পারিনা। যার ধরুন অনেক সময় লাখ টাকা দামের জিনিস মুহূর্তের মধ্যে চুরি ছিনতাই হয়, তারপর হায় হায় করতে হয়। থানা পুলিশ জিডি করেও অনেক সময় কুল কিনারা করতে পারিনা। যারা একটু সচেতন তারা টুকটাক সিকিউরিটি সিষ্টেম ব্যবহার করেন তাও এর কাভারেজ একশ দুইশ মিটার এর বেশি নয়। অনেকেই এলার্ম বা ইঞ্জিনের জন্য বাড়তি সুইচ লাগান যা কিছুটা নিরাপদ বটে তবে হান্ডেড পার্সেন্ট নয়। কেউ কেউ আবার প্রতিদিন দশ টাকা দশ টাকা করে নিরাপদ পার্কিং এর জন্য পরিশোধ করেন। মাস শেষে গুনলে দেখা যায় কমপক্ষে হাজার পনেরো শ টাকার কাছাকাছি।

তাই সবদিক চিন্তা করে আমি আপনাদের জন্য অসাধারণ এক ডিভাইস আমদানি করতে যাচ্ছি। যা শুধু আপনার লাখ টাকা দামের বাইক বা গাড়ির নিরাপত্তা ই দিবে না বরং এর চেয়ে অনেক বেশি সুবিধা আছে। চুরি তো অসম্ভব এমনকি ছিনতাই ও ঠেকাতে পারবেন। কারন এই ডিভাইস সংযোগ করলে আপনি আপনার বাইক ও গাড়ি নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। সিকিউরিটি এলার্ট তো আছেই বাড়তি নিরাপত্তা হিসাবে ইঞ্জিন অন অফ অটো লক সহ গাড়ির স্পীড নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে বাহির থেকেই ডোর লক আনলক করতে পারবেন। তাও নিজের মোবাইল দিয়ে। অবশ্য এর জন্য এনড্রয়েড ফোনও লাগবে না, সাধারন ফোন দিয়ে সব সম্ভব। নির্দিষ্ট কোন এরিয়া ও নয় যখন যেখানে খুশি যে কোন জায়গা থেকে এমনকি একশ মাইল দূর থেকেও সবি নিয়ন্ত্রণ করতে পাবেন। বাইক গাড়ি কখন কোথায় জানতে তো পারবেন ই, এর বাইরে আরো অনেক সুবিধা আছে। এতো সুবিধার মাঝে দু'একটা অসুবিধা তো থাকবেই।

তবে আমার ডিভাইসের অসুবিধা শুধু একটাই দুইটা নয়। আর সেই অসুবিধাটি হলো দাম একটু বেশি। অর্থাৎ প্রতিটি মটর সাইকেল ডিভাইস এর দাম মাত্র 6999 টাকা এবং কার এর জন্য প্রতিটা ডিভাইস এর দাম পড়বে মাত্র 7999 টাকা। আর হ্যাঁ, এই একটা অসুবিধার মধ্যে বাড়তি স্পেশাল সুবিধা হলো অন্যান্য টংঢাং ডিভাইস এর মতো আমার ডিভাইসে মাসিক কোন ফি নাই। হিডেন চার্জের তো প্রশ্নই উঠেনা।

বিঃ দ্রঃ পহেলা নভেম্বর থেকে ডিভাইসটি পাবেন। যারা অগ্রিম বুকিং দিবেন শুধুমাত্র তাদের জন্য এই মূল্য প্রযোজ্য, এর বাইরে লিফলেট এর মূল্যই চুড়ান্ত মূল্য।
সবাইকে ধন্যবাদ!!

ডিভাইস লাগান
রাত্রে শান্তিতে ঘুমান।

Call for device: 01711447847

বর্তমানে ঢাকা শহরের রাস্তায় চলাচলের জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের ৩১৭টি গাড়ির নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে। রাজধানীতে নিবন্ধিত মোটর...
13/08/2017

বর্তমানে ঢাকা শহরের রাস্তায় চলাচলের জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের ৩১৭টি গাড়ির নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে। রাজধানীতে নিবন্ধিত মোটরগাড়ির সংখ্যা প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার ৩৯২টি। আর সারা দেশে গাড়ি আছে ২২ লাখ ১৪ হাজার ১৭টিরও বেশি। এই লাখ লাখ গাড়ির জন্য দক্ষ জনশক্তির সংখ্যা অনেক কম। তাই এই বিকাশমান ও সম্ভাবনাময় সেক্টরে কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশি। এ বিষয়ে পড়ালেখা করে তাই সাধারণতই চাকরির জন্য বসে থাকতে হয় না। এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন, শামীম ফরহাদ

কাজের ধরন

একজন অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারকে গাড়ি তৈরি থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত সব সমস্যা সমাধান করতে হয়। অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভাগ রয়েছেÑ প্রডাকশন, সেলস ও সার্ভিসিং।

প্রডাকশন ক্ষেত্রের কাজে আবার কয়েকটি ভাগ রয়েছে। যেমনÑ ডিজাইন, ড্রয়িং ও ক্যালকুলেশন। হাইস্কিল ইঞ্জিনিয়াররাই মূলত প্রডাকশন ডিভিশনে এসব কাজ করে থাকেন। সেলস ডিভিশনে গাড়ি বিপণন, বিক্রয় ও বিতরণ-সংক্রান্ত কাজ করা হয়। এ ডিভিশনে ভালো করতে ও কারিগরি জ্ঞান খুব ভালো থাকতে হয়। এ ডিভিশনের জনবলের দায়িত্ব গ্রাহকের চাহিদা বুঝে সে অনুযায়ী গাড়ি বাছাই করে তার ইঞ্জিন ও অন্যান্য বিষয়ে সার্বিক তথ্য গ্রাহককে অবহিত করার। অন্যদিকে সার্ভিসিং বলতে মূলত ওয়ারেন্টি বা সার্ভিস ফির মাধ্যমে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মেরামত ও সার্ভিসিং করার কাজ বোঝানো হয়।

কাজের ক্ষেত্র

সময়ের চাহিদা অনুসারে দেশে অটোমোবাইল শিল্পে কাজের ক্ষেত্র এখন অনেক বিস্তৃত। সুযোগ রয়েছে দেশের বাইরেও কাজ করার। দিন দিন যেভাবে ইঞ্জিনের ব্যবহার বাড়ছে, তাতে দক্ষ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির চাহিদা আরও বাড়বে। বর্তমানে আমাদের দেশে ২৫টিরও বেশি গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং ১৩৭টিরও বেশি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারক ও ডিলার রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত বিদেশ থেকে গাড়ি আমদানি করছে এবং এ শিল্পকে সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করছে। আমাদের দেশে গাড়ি উৎপাদনের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে।

আয়-রোজগার

সদ্য পাস করা অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানভেদে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন। একজন দক্ষ অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের বেতন সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা হয়ে থাকে। এ ছাড়া গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানিতে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ন্যূনতম বেতন ১ লাখ টাকার বেশিও হতে পারে। মূলত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করবে বেতন। আর দেশের বাইরে কাজের সুযোগ তো রয়েছেই।

আত্মকর্মসংস্থান

অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগও রয়েছে। এ বিষয়ে পড়ালেখা করে নিজ উদ্যোগে সার্ভিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা যায়। এ জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ থেকে ২৫ লাখ টাকার বিনিয়োগ প্রয়োজন। এ পুঁজি সংগ্রহ করতে পারবেন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেও। প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে এ খাতে দেশের প্রায় সব সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ঋণ দেবে। সে ক্ষেত্রে সব খরচ মিটিয়ে স্থানভেদে মাসে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।

বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (বিকেটিটিসি)

বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার হচ্ছে কোরিয়ান সাহায্যে স্থাপিত বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। এ প্রতিষ্ঠান থেকে অটোমোবাইলের ওপর ট্রেনিং নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে বর্তমানে কর্মরত আছেন শত শত শিক্ষার্থী। তাছাড়া শান্তি মিশনে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যরা এখান থেকে ট্রেনিং নিতে আসেন।

ভর্তির সময়

বছরে দুবার ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় এখানে। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ও জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন লেবেল শেষ করার পর যোগ্যতা সনদ দেওয়া হয়। তবে কোর্স ছাড়াও বিভিন্ন খ-কালীন ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা আছে। তিনটি ক্রাইটেরিয়ায় অটোমোবাইলে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয় বিকেটিটিসিতে।

ছয় মাসের কোর্স

অটোমোবাইলের ওপর হালকা ট্রেনিং নিয়ে গ্যারেজে কাজ করার জন্য তৈরি হতে ন্যূনতম ছয় মাসের একটি কোর্স করতে পারেন। বয়সের কোনো মাপকাঠি এ কোর্সের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। এ কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য অষ্টম শ্রেণি পাস হলে ভালো হয়। তাছাড়া কর্মজীবী পুরুষ কিংবা ড্রপআউটরাও ভর্তি হতে পারে। কোর্স শেষ করার পর সেমি স্কিল টেকনিশিয়ান হিসেবে অটোমোবাইল গ্যারেজে চাকরির যোগ্যতা অর্জন হবে। অভিজ্ঞতার ফলে ধীরে ধীরে লেভেল পরিবর্তন করে ছয় লেভেলের অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানও হতে পারবে।

এক বছরের কোর্স

অটোমোবাইলে আরেকটু ভালো করতে হলে এক বছরের কোর্সে ভর্তি হতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস এবং বয়স সর্বোচ্চ ১৮-এর মধ্যে হতে হবে। কোর্স শেষে জুনিয়র টেকনিশিয়ান হিসেবে যে কোনো কারখানায় বা ওয়ার্কশপে যোগদান করা যাবে।

দুই বছরের কোর্স

সবচেয়ে লম্বা কোর্স হল দুই বছরের। যারা এ কোর্সে ভর্তি হবে তাদের জেএসসি বা জেডিসি পাস হতে হবে। অন্যান্য কোর্স থেকে এ কোর্সের সুবিধা হলো দুই বছর পর কোর্স সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি জেনারেল সার্টিফিকেট পাবে এবং উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় চাকরির একটি সুযোগ তৈরি হবে। এখান থেকেও উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ আছে।

যোগাযোগের ঠিকানা

বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (বিকেটিটিসি)

দারুসসালাম, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬

ফোন : ৯০০০১৮৬

ডিপ্লোমা-ইন অটোমোবাইল টেকনোলজি

আমাদের দেশে যে পরিমাণ গাড়ি ও অটোমোবাইল সার্ভিস সেন্টার রয়েছে, কিন্তু সে তুলনায় অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা অনেক কম। তাই এ সেক্টরে এ কাজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ ছাড়া ডিপ্লোমা-ইন অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা এখনো আমাদের দেশে নতুন। তাই সুযোগ রয়েছে এ বিষয়ে পড়াশোনা করে সহজে ক্যারিয়ার গড়ে তোলা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন অটোমোবাইল টেকনোলজিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম এসএসসি বা সমমানের পাস হতে হবে। এ বিষয়ে মেয়েদেরও পড়ার সুযোগ রয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কোর্স করতে সব মিলিয়ে ৩০ হাজার টাকা প্রয়োজন হবে। তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা করতে খরচ লাগবে প্রায় ৩ লাখ টাকা। দুটি সরকারিসহ মোট আটটি ইনস্টিটিউটে এ বিষয়ে পড়ার সুযোগও রয়েছে।

সরকারি ইনস্টিটিউট

অটোমোবাইল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮।

বাংলাদেশ-সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কাপ্তাই, রাঙামাটি।

বেসরকারি ইনস্টিটিউট

বাংলাদেশ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। ই-৩৯৫, হাতেম খাঁ তমিজউদ্দিন রোড, রাজশাহী।

সাকিনা আজহার টেকনিক্যাল কলেজ, মূলঘর, ফকিরহাট, বাগেরহাট।

শ্যামলী আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ১৬/সি-ডি, ব্লক-ডি, নূরজাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।

চট্টগ্রাম শাখা : ১৩২ নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, মুরাদপুর, চট্টগ্রাম।

মটর্স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, পল্লবী, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬।

মিরপুর পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, ৩২৩, ৩৩১, আহম্মদনগর, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬।

চিটাগাং টেকনিক্যাল কলেজ, ১২৯ মুরাদপুর, বিশ্বরোড, চট্টগ্রাম।

31/07/2017

ব্যবসা কোন নতুন ধারনা নয়। সৃষ্টির আদিকাল থেকে মানুষ ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। কত ধরনের ব্যবসায় তো আছে। কিন্তু ব্যবসা শুরু করার জন্য সার্মথ্য আর জ্ঞানেরও দরকার আছে। আপনাদের জন্য উদ্যোক্তার খোঁজে ডটকম বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক আইডিয়া ও সে সম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা আপনাদের জানাব একটি সার্ভিসিং বা মেরামত ব্যবসা সম্পর্কে।

মোটর গাড়ির সার্ভিসিং বা মেরামতের ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে আমরা আজকের প্রচ্ছদটি সাজিয়েছি। মোটর গাড়ি সার্ভিসিং ব্যবসার জন্য আপনার সর্বপ্রথমে ব্যবসার স্থান নির্বাচন করতে হবে। সাধারনত শহর অঞ্চল এ ধরনের ব্যবসার জন্য উপযুক্ত স্থান। কারন অধিকাংশ ধনী মানুষেরা শহরাঞ্চলে বসবাস করে। বাসষ্টান্ড বা পেট্রোল পাম্পের আশপাশ এ ব্যবসার জন্য উপযুক্ত স্থান। এছাড়াও যেকোন জনবহুল গাড়ি পার্কিং এলাকা কিংবা হাইওয়ে রাস্তার পাশেও এ ব্যবসার জায়গা নির্ধারন করা যেতে পারে।

মোটর গাড়ি বলতে আপনি মোটর সাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মিনিবাস, বাস, ট্রাক ইত্যাদি গাড়ি মেরামতের জন্য নির্বাচন করতে পারেন। এ জাতীয় গাড়ির জন্য ইঞ্জিন ও বডির যাবতীয় কাজ সম্পর্কে আপনার জানা থাকলে সবচেয়ে ভাল করতে পারবেন। আপনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হলে আপনার জন্য এ ব্যবসায়ের সম্ভাবনাকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন। আবার আপনি গাড়ি মেরামত না করতে পারলেও কাজ জানা লোক নিয়োগ করে এ ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারেন।

মোটরগাড়ি মেরামতের ব্যবসায়ের জন্য আপনাকে প্রাথমিক ভাবে ব্যবসায়ের ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। আপনার প্রতিষ্ঠানের সুন্দর একটি নাম দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করার পর দোকান বা জায়গা ভাড়া নিতে হবে। অবশ্যই ভাড়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট চুক্তিপত্র করে নিতে ভুল করবেন না। দোকানের সামনে খোলা জায়গা পেলে ভাল হয়। তাতে করে আপনি সেখানে গাড়ি রেখে কাজ করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন।

দোকান ভাড়া নেওয়া হয়ে গেলে আপনি এবার গাড়ি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে নিন। আপনার বিনিয়োগের একটি বড় অংশ ব্যয় হবে এ যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রে। এবার কাজের জন্য লোকবল নিয়োগ দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই অভিজ্ঞ লোক নিয়োগ দিন। কারন ব্যবসায়ের শুরুতে কম অভিজ্ঞ কিংবা অনভিজ্ঞ লোক নিয়োগ দিলে আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। আপনি কাজ জানলেও আপনার পাশাপাশি অভিজ্ঞ লোক নিয়োগ দিবেন কারনে আপনি কোন কারনে সমস্যায় পড়লে যাতে সমাধান পাওয়া সম্ভব হয়।

সাধারনত ইঞ্জিনের ত্রুটি কিংবা বডি বা ইঞ্জিনের বাইরের আবরনের ত্রুটি ও রংয়ের কাজ মোটর গাড়ির মালিকেরা করিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় আপনাকে কাজের জন্য গাড়ির মালিকদের জানানোর প্রয়োজন পড়বে। নতুন অবস্থায় ভাল সেবা দিতে পারলে স্থায়ী সেবা গ্রাহক পেয়ে যাবেন। আপনার প্রতিষ্ঠানের অবস্থান ও সেবা সম্পর্কে প্রচার অব্যাহত রাখুন। বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মালিক যাদের একাধিক গাড়ি আছে তাদেরকে আপনার গ্রাহকে পরিনত করার জন্য মার্কেটিং কৌশল গ্রহন করুন এবং সুসম্পর্ক তৈরী করুন। আপনার দোকানের বাইরেও সেবা প্রদান করার জন্য পরিকল্পনা করুন। প্রয়োজনে সেবা গ্রাহীতার বাড়িতে অথবা অফিসে উপস্থিত হয়ে সেবা প্রদান করুন।

মোটর গাড়ি মেরামত ব্যবসায় প্রাথমিক ভাবে দুই থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে শুরু করতে পারবেন। খুবই সল্প পরিসরে শুরু করতে চাইলে এক লক্ষ বা তার কম পরিমান টাকায়ও শুরু করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে আপনাকে মেরামতের কাজ জানতে হবে। এ ব্যবসায়ে প্রতিযোগীতা মোকাবেলা করার জন্য আপনাকে কৌশলী হতে হবে। গ্রাহকের সাথে সুসম্পর্ক ও সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদান নিশ্চিত করে ব্যবসায়ের সফলতা অর্জন করতে পারবেন খুব সহজেই।

একটু হিসেব করে চলতে পারলে এ ব্যবসায় থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারবেন। আর ব্যবসার সাথে বিশ্বাস ও সততার যোগসুত্র স্থাপন করতে পারলে আপনার সুনাম ও বৃদ্ধি পেতে থাকবে দিন দিন। সল্প পরিমান ঝুঁকি মোকাবেলা করে এ ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারবেন। সেই সাথে পরবর্তীতে ব্যবসার পরিধি বাড়িয়ে খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রয় করে আয় বাড়াতে পারবেন। লেগে থেকে পরিশ্রম করলে নিজে সাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি আরও অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।

শুভকামনা রইল সকলের জন্য। উদ্যোক্তার খোঁজে ডটকমের আপডেটগুলো নিয়মিত পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে রাখুন। আইডিয়াটি সম্পর্কে আপনাদের মতামত ও পরামর্শ জানান কমেন্ট করে। ধন্যবাদ সকলকে। শুভেচ্ছা নিরন্তর।

Land Cruiser V8
10/07/2017

Land Cruiser V8

পুরানো গাড়ী কেনাটা সবসময়ই কিছুটা ঝুঁকির বিষয় । বিক্রেতারা সবসময় চেষ্টা করে নিজেরগাড়ীর ত্রুটিগুলো ঢেকে রাখতে যাতে তারা গা...
13/05/2017

পুরানো গাড়ী কেনাটা সবসময়ই কিছুটা ঝুঁকির বিষয় । বিক্রেতারা সবসময় চেষ্টা করে নিজেরগাড়ীর ত্রুটিগুলো ঢেকে রাখতে যাতে তারা গাড়িটি সহজে এবং বেশি দামে বিক্রয় করতেপারে। সুতরাং আপনি যদি প্রথমবার গাড়ী কিনতে যান এবং গাড়িটি যদি সেকেন্ডহ্যান্ড হয় তাহলে চেষ্টা করুন সাথে এমন কাউকে (বন্ধু বা কলিগ) নিয়ে যেতে যে গাড়ী সম্পর্কে বেশ অভিজ্ঞ।

কিন্তু আপনি যদি এমন কাউকে না পান তাহলে কি করবেন ? ভয় পাওয়ার কিছু নেই।গাড়ীর বাইরের অবস্থা সম্পর্কে চোখে দেখেও কিছুটা আন্দাজ করা সম্ভব । আসল সমস্যা করে গাড়ীর ইঞ্জিন। গাড়ীর ইঞ্জিন একটি জটিল যন্ত্র যা অনেক সূক্ষ্ম ভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন । কিন্তু ব্যাপারটা সহজ করতে আমরা পাঁচটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো । নিচের পাঁচটি জিনিস খেয়াল রাখলেই আশা করি আর ঝামেলা হবে না ।

গাড়ীর ধোয়া পরীক্ষা করুনঃ
প্রথেমেই আসি গাড়ীর ধোয়ার কথায়। ডিজেল চালিতগাড়ীর ক্ষেত্রে ধোয়া থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যদি পুরানো পেট্রোল চালিতগাড়ী কিনতেচান , তখন দেখবেন গাড়ী থেকে কিধরণের ধোয়া বের হচ্ছে । গাড়ীরএকজস্ট থেকে ধোয়া যদি নীলচে হয় তবে বুঝবেন গাড়িটি এর মোটর অয়েল ব্যাবহার করছে। যদি ইঞ্জিন ঠাণ্ডা থাকা অবস্থায় চালু করার সময় নীলচে রঙের ধোয়া দেখা যায় এবং কিছুক্ষণ পরে সেটা চলে যায় তাহলে এটা স্বাভাবিক বলে ধরে নিবেন । কারন পুরানো ইঞ্জিন থেকে অনেক সময় রাতে তেল চুইয়ে সিলিন্ডার এর উপর পরে থাকে তাই সকাল বেলা ঠাণ্ডা ইঞ্জিন চালু করার সময় হাল্কা নীলচে ধোয়া থাকাটা স্বাভাবিক । কিন্তু অতিরিক্ত ধোয়া থাকাটা, বিশেষ করে ইঞ্জিন চালু করারও অনেকক্ষণ পর পর্যন্ত , ভালো লক্ষণ নয় । এধরনের গাড়ী এড়িয়ে চলাটাই ভালো । এছাড়াও যদি গাড়ী থেকে কালো ধোয়া বের হয় তার মানে গাড়ী অতরিক্ত জ্বালানি খরচ করছে। এটা গাড়ীর ইঞ্জিনে কার্বন জমে থাকারও সংকেত দেয়। তাই এধরনের গাড়ী এড়িয়ে চলাটাই সবথেকে ভালো ।

তেল এর সাথে সম্পকিত সবকিছু পরীক্ষা করুনঃ
গাড়ীর তেলের মান এবং ইঞ্জিনে তেলএর গভীরতা একটি ডিপস্টিকএর সাহায্যে পরীক্ষা করুন । যদি তেল দেখতে ঘোলাটে মনে হয় তার মাণে হচ্ছে এর বর্তমান মালিক অনেকদিন যাবৎ গাড়ীর তেল বদলায়নি । আপনি যখন গাড়ীর বনেট খুলেপরীক্ষা করবেন ইঞ্জিন এর আসেপাশে চোয়ানো তেল বা জমে থাকা তেলেরদাগ আছে কিনা দেখুন । পুরাতন গাড়ীর ক্ষেত্রে ইঞ্জিন এরআসেপাশে সামান্য কাদাটে তেলের দাগ থাকাটাই স্বাভাবিক।এটা কোন সমস্যা নয় । তবে যদি ইঞ্জিনের মাথার দিকটায় বেশিপরিস্কার ও নতুন তেলের দাগ দেখা যায় তবে বুঝতে হবেগাড়ী থেকে নিয়মিতভাবে তেল লিক করে । যেটা ঠিক করতে অনেক সময় ও অর্থ খরচকরতেহবে । টাটকা তেলের দাগের পেছনে আরও বড় কোন সমস্যাও থাকতেপারে। তেলের ঢাকনা খুলে ভেতরে দেখুন । যদি ভেতরে জমে থাকা কার্বন দেখতে না পান তবে সেটা একটা ভালো লক্ষণ । এছাড়াও গাড়ীর মালিককে জিজ্ঞেস করুন যে সে সাধারণত গাড়ী কোথায় পার্ক করেএবং সেই জায়গায় অথবা গাড়ীর গ্যারেজের মেঝেতে তেলের দাগ আছে কিনা খুঁজে দেখুন।

গাড়ীর শীতলকরনঃ
গাড়ীতে কোন শীতলকারক আছে কিনা দেখুন । গাড়ীর রেডিয়েটরখুলেদেখুনএরবর্তমান মালিক গাড়ীতে কোন অ্যান্টি-ফ্রিজ/ অ্যান্টি-বয়েল ব্যাবহার করে কিনা? দুঃখজনক হলেও সত্যি যে বেশির ভাগ পুরনো গাড়ীর মালিকরাই গাড়ীতে অ্যান্টি-ফ্রিজ ব্যাবহার করে না । যদি গাড়ীর রেডিয়েটর ক্যাপ এর নিচে অতিরিক্ত জং এর চিহ্ন পান তবে বুঝবেন গাড়িটি শুধুমাত্র পানি দিয়েই অনেকদিন ধরে চালানো হচ্ছে । আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে রেডিয়েটরক্যাপএর নীচে তেল ও জলের মিশ্রণ পাওয়া যায় কিনা ? যদি সেখানে ফেনায়িত কোন পদার্থ বা তেলএর চিহ্ন থাকে তবে সেই গাড়ী থেকে দূরে থাকাই নিরাপদ ।

ইঞ্জিনএর আওয়াজঃ
ঠাণ্ডা ইঞ্জিন চালু হওয়ার সময় কিরকম শব্দ হয় দেখুন । সামান্য ক্লিকএর আওয়াজ সাধারণ । এটা নিয়ে চিন্তার কোন কারন নেই । ইঞ্জিন গরম হলেইএই শব্দ বন্ধ হয়ে যাবে । তবে যদি জোরে ধপধপ বা ঠকাঠক আওয়াজ হতে থাকে তাহলে ইঞ্জিনটাকে গরম হতে দিনএবং এক্সেলারেটর সামান্য বাড়িয়ে দিয়ে আবার ভালো করে ইঞ্জিনএর আওয়াজ শুনুন । যদি ইঞ্জিন এরপরেও জোরেশোরে ধাতবআওয়াজ চালিয়ে যায় তবে সেইগাড়ীকে বিদায় বলুন । আপনি নিশ্চয় এমন গাড়ী কিনতে চান না যেটা নিয়ে কেনার প্রথম সপ্তহেই গ্যারাজে ছুটতে হবে ।

টেস্টড্রাইভঃ
গাড়ী কেনার আগে একবার চালিয়ে দেখে নিন । এটা আপনাকে গাড়ীর সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে । ইঞ্জিন ছাড়াও ট্রান্সমিশন গাড়ীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ । টেস্টড্রাইভ আপনাকে সেটা সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে । আবারএমনও হতেপারে যে গাড়ীটা দেখে আপনার যতটা ভালো লেগেছিলো সেটা চালানোর পর আর ততটা ভালো লাগলো না । তাইগাড়ীটা অবশ্যই চালিয়ে দেখবেন ।

10/05/2017

সাধারন বিষয়াবলীঃ
গাড়ি চালাতে শুরু করার আগে যে দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে তা হল-

১) গাড়ির সব সচল অংশগুলো ঠিকমত কাজ করছে কিনা- কোথাও অসুবিধা থাকলে তা সঙ্গে সঙ্গে মেরামত করতে হবে।

২) গাড়ি স্টার্ট করার আগে গাড়িতে লুব্রিকাটিং তেল ( মবিল ) সঠিক পরিমানে আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে হবে।

৩) কোন ফিটিং ঢিলা আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। কোন ফিটিং ঢিলা থাকলে সঙ্গে সঙ্গে টাইট করে নিতে হবে।

৪) গাড়ির চাকা গুলোতে হাওয়া ও নাট গুলো টাইট আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে হবে।

৫) গাড়ির রেডিয়েটরে পানি আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।

৬) পেট্রোল অথবা সিএনজি পরিমান মত আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।

৭) টুল বক্স গাড়িতে আছে কিনা তা দেখতে হবে।

৮) ব্রেক ওয়েল পরিমান মত আছে কিনা দেখতে হবে।

৯) গাড়ির লাইট সমূহ ঠিক মত জ্বলে কিনা তা দেখতে হবে।

১০) ব্যাটারীতে ডিষ্টিল ওয়াটার ও বিদ্যুতের লাইন ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।

সতর্কতাঃ

১) দীর্ঘ পরিশ্রমে শরীর খুব ক্লান্ত থাকলে গাড়ি চালাতে নেই।

২) মদ বা অন্যান্য মাদক দ্রব্য পান করে গাড়ি চালানো উচিৎ নয়।

৩) গাড়ির কিছু কিছু প্রধান পার্টস্ খারাপ থাকলে সেই গাড়ি চালাতে নেই।

৪) মানসিক অবস্থা ভাল না থাকলে গাড়ি চালাতে নেই।

৫) খুব বেশি ক্ষুধা-তৃষ্ণা নিয়ে গাড়ি চালানো ঠিক না, তাতে মন বিরক্ত থাকে ও যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটা স্বাভাবিক।

৬) নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রীর অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে গাড়ি চালানো ঠিক না।

৭) অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে গাড়ি চালানো ঠিক নয়।

ড্রাইভিং সিটে ড্রাইভারের করনীয়ঃ

১) গাড়ির চারপাশ দেখে নিতে হবে। উপযুক্ত পথ ও গতিবেগ নির্ধারন করতে হবে।

২) গাড়ির আয়না বা মিরর গুলোর দিকে নজর রাখতে হবে।

৩) গাড়ি ডানে বামে মোড় নেবার পূর্বে সিগনাল দিতে হবে।

৪) ট্রাফিক সিগনাল মেনে চলতে হবে।

৫) অপ্রয়োজনে ওভারটেকিং করা থেকে বিরত থাকবে।

৬) ওভারটেকিং করার পূর্বে অবশ্যই হর্ন বাজাতে হবে।

৭) যত্রছত্র হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকবে।

ওভারটেকিং করার নিয়মাবলীঃ

১) নিজের গাড়ির গতিবেগ কন্ট্রোলে রাখতে হবে।

২) যে লাইনে গাড়ি চলছে তার সামনে ও পিছেনের গাড়িকে সিগন্যাল দিতে হবে।

৩) সব সময় নজর রাখতে হবে যে, ওভারটেক্ করার সময় রাস্তার মধ্যখান থেকে গাড়ি যেন বেশী ডানে না যায়।

৪) ওভারটেক্ করার সময় উল্টোদিক থেকে আগত গাড়ির দিকে নজর রাখতে হবে।

৫) গাড়ির গতি বৃদ্ধি করে যতটা সম্ভব ওভারটেকিং শেষ করতে হবে।

৬) কখনো বিপদজনক ভাবে ওভারটেকিং করা ঠিক নয়।

৭) নিজে ওভারটেকিং করার সময় অন্য গাড়িও ওভারটেকিং করছে কিনা তা খেয়াল করতে হবে।

৮) বহু যানবাহন বা জনবহুল পথে ঘন ঘন ওভারটেকিং করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৯) আঁকাবাঁকা বা দুই মুখী রাস্তা গুলোতে ওভারটেকিং না করাই ভাল।

১০) বড় গাড়ি বা লরী সামনে থাকলে কতটা পথ ফাকা তা ভাল করে না দেখে ওভার টেকিং করা উচিৎ নয়।

ড্রাইভিং সংক্রান্ত আইন-কানুনঃ

সাধারন আইন-
১) সবার আগে মোটর গাড়ি রেজিষ্টি করতে হবে। গাড়িতে স্পষ্ট ভাবে নম্বর প্লেট লাগাতে হবে।

২) চালকের ন্যুন্যতম ১৮ বছর, ৮ শ্রেনী পাস এবং লাইসেন্স প্রাপ্ত হতে হবে।

৩) ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে নিয়ম ভেদে ১০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। রাস্তা পার, গাড়ির গতি, ট্রাফিক নির্দেশ ও সংকেত প্রভৃতি সব রকম নির্দেশ মেনে চলতে হবে।

৪) ড্রাইভারকে গাড়ি চালাবার সময় সর্বদা মানুষ, জন্তু, অন্য গাড়ি প্রভৃতির দিকে নজর রেখে চালাতে হবে। এতে ভূল-ত্রুটি হলে অমার্জনীয় অপরাধ বলে গন্য হবে।

বিশেষ নিয়মাবলীঃ
১) রাতের বেলা গাড়ি চালাতে গেলে গাড়ির আলো ঠিক রাখতে হবে।

২) মালামাল বহন সীমার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে গাড়ি চালানো আইনত দন্ডনীয় আপরাধ।

৩) গাড়ি সবসময় পথের বামদিক দিয়ে চলবে। ওভারটেকিং করার সময় সিগনাল দিতে হবে।

৪) যেখানে যতটুকু গতিসীমা দেওয়া থাকে তার অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো দন্ডনীয় অপরাধ।

৫) যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করা উচিত নয়। আইন হল- আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে গাড়িতে তুলে নিকটবর্তী ডাক্তারখানা বা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। নিকটবর্তী থানাতে দুর্ঘটনার কথা জানাতে হবে। এরূপ করলে ড্রাইভারের শাস্তি কম হয় বা হয় না। কিন্তু পালিয়ে গেলে শাস্তি বেশী হয়।

৬) কোন রকম মাদক দ্রব্য গাড়িতে রাখা বে আইনী। ধরা পড়লে শাস্তি হবে।

৭) যত্ছত্র গাড়ি পাকিং করা অনুচিত।

রাস্তার মাঝে ছোটখাট মেরামতির কাজঃ
১) চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ গাড়ির ব্যটারী ডাউন হয়ে যায় বা ব্যাটারী যদি ঠিক মত কাজ না করে, তাহলে প্রথমে কয়েকজন মিলে ঠেলা দিয়ে গাড়ি স্টার্ট করাতে হবে। এর পর গ্যারেজে গিয়ে ব্যাটারী চার্জ করে নিতে হবে। ঠেলা দিয়ে গাড়ি স্টার্ট না হলে অন্য কোন গাড়ির সাথে চেইন বা দড়ির সাহায্যে গাড়িকে বেধে গ্যারেজে নিয়ে যেতে হবে।

২) যদি কোন স্পার্ক প্লাগ কাজ না করে তাহলে অন্য প্লাগ গুলো পরিষ্কার করে নিতে হবে, যদি তাতেও কাজ না হয় তাহলে ইন্সুলেটরের অংশ একটু শর্ট করে নিতে হবে।

৩) যদি পেট্রোল –ট্যাঙ্ক থেকে পেট্রোল চুইয়ে পড়ে তাহলে বুঝতে হবে কোন জায়গা ফুটো হয়েছে। কোন জায়গা থেকে পেট্রোল পড়ছে তা দেখে ঐ জায়গাটা বন্ধ করে দিতে হবে।এ জন্য অনেকে গাড়িতে কাপড় কাচার সাবান রাখে যাতে সাবান দিয়ে ফুটো সাময়িক ভাবে বন্ধ করা যায়।

৪) যদি এসি পাম্প কাজ না করে কিংবা পেট্রোল ট্যাঙ্ক ফেটে যায় তাহলে একটা ছোট টিনে পেট্রোল ভরে উঁচু করে সেটা ঐ জায়গায় বেঁধে দিতে হবে। ঐ টিনে একটা রবারের নল লাগিয়ে মুখ দিয়ে একটু পেট্রোল টেনে নলের আগা পর্যন্ত আনতে হবে। তারপর ঐ নলের মুখে কার্বোরেটারের ইন্লেট ইউনিয়নের ফ্লুইডের সঙ্গে জড়ে দিতে হবে। এভাবে করলে ধীরে ধীরে পেট্রোল কার্বোরেটারের মধ্যে যেতে থাকবে, গাড়িও আবার চলতে থাকবে। পরে ভালভাবে মেরামত করতে হবে।

৫) যদি ডায়নামোতে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে না বলে দেখা যায়, অর্থাৎ সেটি চার্জ না থাকে, তাহলে এর কার্বোরেটরটি ভাল করে সাফ করে দিতে হবে। তারপর দেখতে হবে ফ্যান বেল্ট ঢিলা আছে কিনা। যদি ঢিলা থাকে, তাহলে ভালভাবে টাইট করে দিতে হবে। ভাল করে লক্ষ করতে হবে যে, ডায়নামো কানেক্শন ও কাট-আউট টার্মিনাল যেন ঢিলা না থাকে। ঢিলা থাকে তবে টাইট করে দিতে হবে।

৬) যদি ইগনিশান সুইচ ঠিকমত কাজ না করে বা অকেজ হয়ে যায় তবে দুটি তার খুলে নিয়ে এক সাথে জুড়ে দিয়ে ইঞ্জিন স্টার্ট করে নিতে হবে। ইঞ্জিন বন্ধ করার সময় আমার দুটি তারই খুলে দিতে হবে, যাতে সুইচ অফ হবার কাজ করে। নিজে নিজে যদি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় তাহলেও তার দুটি অবশ্যই খুলে নিতে হবে।

৭) যদি ব্যাটারী থেকে কয়েলের মধ্যে শর্ট থাকে বা কোন গোলমাল থাকে, তাহলে সেটা আগে ভাল করে পরীক্ষা করে বুঝে নিতে হবে। তারপর পজিটিভ থেকে একটা তার আর ইগনিশান সুইচ থেকে আসা তারের জায়গায় নিয়ে যেতে হবে ও তার পর ইঞ্জিন স্টার্ট করে নিতে হবে। এভাবে কৌশলে সাময়িক কাজটুকু সেরে নেওয়া যায়। এরপর তার খুলে সুইচ অফ্ করার কাজ করবে। যদি সুইচের চাবি হারিয়ে যায় তাহলেও এইভাবে গাড়ি স্টার্ট করে নেওয়া যায়।

৮) যদি ডায়নামো ঠিকমত কাজ করে কিন্তু আউট কারেন্ট ডায়নামোর আগে অর্থাৎ বাইরের দিকে এগিয়ে যেতে না পারে, তাহলে কাট-আউটের পয়েন্ট টার্মিন্যাল পরিষ্কার করে নিতে হবে। যদি পরিষ্কার করার পরও কাজ না হয়, তাহলে ডায়নামোর আর্মেচারের তার খুলে ব্যাটারীর তারের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ইঞ্জিন ষ্টার্ট করতে হবে এবং বাতি জ্বালিয়ে দিতে হবে। তবে এর ফলে অনেক সময় আর্মেচার জ্বলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এতে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। তবে নেহাৎ বিপদে পড়লে এছাড়া উপায় থাকে না। ইঞ্জিন বন্ধ করার সাথে সাথে অবশ্য আর্মেচার ও ব্যাটারীর তার খুলে ফেলতে হয়। খুলে না দিলে অযথা কারেন্ট নষ্ট হয়। এভাবে বেশীক্ষন চালানোও ঠিক না, অতিসত্তর মেরামত করা উচিৎ।

৯) হঠাৎ যদি বিগ এন্ড বিয়ারিং খারাপ জ্বলে যায়, তাহলে চেম্বার খুলে বিয়ারিং এর জায়গায় এক টুকরো চামড়া লেপটে দিতে হবে। যদি চামড়া না পাওয়া যায় জুতোর চামড়া সামান্য কেটে লাগিয়ে দেওয়া যায়। তাতেও যদি কোন কাজ না হয় তাহলে পিষ্টন শুদ্ধ বিয়ারিং খুলে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে হবে। সাময়িকভাবে এতে কাজ চলে যাবে।

১০) যদি ইঞ্জিনের একটা পিষ্টন হঠাৎ ভেঙ্গে যায়, তাহলে ইঞ্জিনের হেড ও চেম্বার খুলে ভাঙ্গা পিষ্টনটি খুলে নিতে হবে। তারপর ৩টি বা ৫টি পিষ্টন দিয়ে ধীরে ধীরে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।অবশ্য এই সময় ইঞ্জিনের শক্তি খুব কম থাকে।এতে গাড়ি চলবে ,তবে ভারী মাল টেনে নিয়ে যেতে পারবে না।তাই প্রয়োজন হলে গাড়ি খালি করে নিতে হবে। তারপর গ্যারাজে নিয়ে গিয়ে পিষ্টন পাল্টে নিতে হবে।

১১) অনেক সময় কোন নির্জন স্থানে চাকার টিউব পাংচার হয়ে যেতে পারে। সঙ্গে অতিরিক্ত চাকা বা মেরামত করার ব্যবস্থা ( ভলকানাইজিং ) নেই। এই অবস্থায় টিউবটি চাকা থেকে খুলে নিতে হবে। তারপর টায়ারের মধ্যে ঘাস, কাগজের টুকরা ইত্যাদি ভরে গাড়ি আস্তে আস্তে কোন গ্যারাজের উদ্দেশ্যে চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

১২) যদি গাড়ির ব্রেক জ্যাম হয়ে যায়, তাহলে পরিষ্কার করার চেষ্টা করতে হবে। যদি তাতেও কাজ না হয়, তাহলে ফুটব্রেকের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে বুঝে ধীরে ধীরে হ্যান্ডব্রেকের সাহায্যে চালিয়ে গ্যারাজে নিয়ে গিয়ে মেরামর করতে হবে। অনেক সময় ব্রেক ড্রাম খুলে পরিষ্কার করে আবার লাগিয়ে দিলেও ভালভাবে ব্রেক কাজ করে।

১৩) গাড়ির চাকা পাথর খন্ড বা ধারালো কিছুতে ঘষা লেগে কেটে গেলে এক্সিলের উপর জ্যাক লাগিয়ে গাড়ি উঁচু করে কাঁচা রাবার গরম করে সেটা ঠিক করে লাগিয়ে দিতে হবে। এজন্য একটা মোমবাতি ও কিছুটা কাঁচা রাবার গাড়িতে সবসময় রাখা উচিৎ।

10/05/2017

"ইঞ্জিনের বিভিন্ন সমস্যা এবং সমাধান"

প্রশ্ন: আমি গত কয়েকদিন থেকে দেখছি ড্রাইভিং করার সময় আমার গাড়ি হঠাৎ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে ডিসপ্লেতে কোন এলার্ম দেখায়না। কী করতে হবে?

উত্তরঃ সাধারনত, শক এভসরভার উইক হলে এরকম শব্দ হয়ে থাকে। আপনি শক এভসরভার চেক করে দেখতে পারেন সেখানে কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা! শক এভসরভার এ কোন সমসসসানা পেলে আপনি রিয়ার স্প্রিং গুলো চেক করে দেখুন, সে গুলো ঠিক মত কাজ করছে কিনা। এ দুটো জিনিস চেক করলেই আপনি আপনার গাড়ির সমস্যা কোথায় হচ্ছে তা জেনে ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

প্রশ্ন: ইঞ্জিন গরম হওয়া মাত্রই আমার গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। যখন ইঞ্জিন ঠান্ডা থাকে, তখন ঠিকই গাড়ি চালু হয়, কিন্তু একবার ইঞ্জিন গরম হলে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। কি করা যায়?

উত্তরঃ রাস্তার পাশে যেকোন গাড়ির এক্সসরিস এর দোকানে কুলিং ওয়াটার পাওা যায়। রেডিএটর এ কুলিং ওয়াটার ঢাললেই আপনার গাড়ি আর রাস্তায় বন্ধ হয়ে যাবেনা। আর অবশ্যই গাড়ি নিয়ে বাইরে বের হবার আগেই রেডিএটর এ কুলিং ওয়াটার ঢালবেন। এরপরও যদি ঠিক না হয়, তবে, রেডিএটর এর ফ্যান ঠিক আছে কিনা দেখুন।

প্রশ্ন: আমার গাড়িটা কাপে, কিছুদিন আগে স্পার্ক প্লাগ চেঞ্জ করেছি, কিন্তু কাপা বন্ধ হচ্ছে না!! এখন কিভাবে এই কাপাকাপি থামাব?

উত্তরঃ আপনি গাড়ির এয়ার ফিল্টার চেঞ্জ করে দেখেন, কাপাকাপি বন্ধ হয় কিনা।

প্রশ্ন: গাড়ির চাবি ঘুরছেনা। আমি আমার গাড়ি চালু করতে পারছিনা। কি করব?

উত্তরঃ স্টিয়ারিং লক এ প্রবলেম হয়েছে। আপনার গাড়ি যদি অটো গিয়ার এর হয়, তবে ব্রেক চেপে চাবি ঘুরান, আর যদি হয় ম্যানুয়াল গিয়ার এর, তবে ক্লাচ চেপে চাবি ঘুরান। এরপরও যদি কোন কাজ না হয়, তাহলে মেকানিক এর সাথে যোগাযোগ করুন। যেকোনো গাড়ির মেকানিক এটা সারিয়ে দিতে পারবে।

প্রশ্ন: ব্যাটারি খারাপ গিয়েছিল এবং আমি পরিবর্তন ব্যাটারি করেছি এবং ড্রাইভিং করা শুরু করলেই ব্যাটারি ড্রপ করে। এখন আমি কি করতে পারি?

উত্তরঃ গাড়ির ডায়ানামো চেক করুন। ডায়ানামো এ প্রবলেম করেলেই ব্যাটারি ড্রপ করে।

প্রশ্ন: আমার গাড়ি রাস্তায় থামালে আর চলেনা। বনেট খুলে ব্যাটারি চেক করতে হয়। এখন এই সমস্যা কিভাবে ঠিক করব?

উত্তরঃ ব্যাটারি টার্মিনালে কার্বন জমলে এই ধরনের সমস্যা হয়। আপনার ব্যাটারি টার্মিনাল চেঞ্জ করতে হবে।

প্রশ্ন: আমার গাড়ি যদি চালু না হয় তবে আমি কিভাবে নিশ্চিত হব যে আমার গাড়ির ব্যাটারি প্রতিস্থাপন করা প্রয়োজন আছে কি না?

উত্তরঃ অনেক সমস্যাই গাড়িকে চালু হওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে। তাই আপনাকেই এই সমস্যার সমাধান গুলা করতে হবে। যে দোকানগুলা সাধারণত ব্যাটারি বিক্রি করে থাকে তারা প্রায় বিনামূল্যেই ব্যাটারি চার্জ করে দেয়, যা একটি ভালো পদক্ষেপ।

প্রশ্ন: এক্সস্ট গ্যাস বের হওয়ার সময় শব্দ হয়। কি করা যায়?

উত্তরঃ আপনি রিজনেটর টিউনিং করে দেখতে পারেন। কিন্তু তার আগে আপনি চেক করে নিন , আপনার গাড়ির এক্সস্ট এর লাইন কোথাও ফেটে গিয়েছে কিনা!!যদি লাইন কথাও ফেটে গিয়ে থাকে, তবে রিজনেটর টিউনিং করে কোন রেসাল্ট পাবেন না। পুরো এক্সহস্ট মাউন্টেন চেঞ্জ করে ফেলতে হবে।

প্রশ্ন: আমার গাড়ি জ্যাম এ থামলে কাপাকাপি করে। চলা অবস্থা থেকে থেমে গেলেই কাপাকাপি করে। এ অবস্থা থেকে মুক্ত হতে কি করা যায়?

উত্তরঃ আপনার গাড়ির গাস -এর টিউনিং করিয়ে থাকলে , স্পার্ক প্লাগ এ সমস্যা থাকার কারনে মনে হয় এই কাপাকাপি হচ্ছে। স্পার্ক প্লাগ গুলো চেক করে দেখুন, আশা করি কাপাকাপি থেমে যাবে।

প্রশ্ন: আমার কারের এসি অন করলে কট কট একটা আওয়াজ করতে থাকে।.এসি কিন্তু ঠাণ্ডা হয়.।সমস্যা কি ঠিক বুঝতে পারছিনা!!

উত্তরঃ এসি চেম্বার থেকে এই শব্দ হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, আপনি এসি চেম্বার খুলে চেক করে দেখতে পারেন। সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করি।

প্রশ্ন: আমার গাড়ি স্টার্ট দিলে কট কট করে একটা শবদ হয় এবং স্টার্ট কোরতে অনেক সময় লাগে এটার জন্য কি করা যায়?

উত্তরঃ গাড়ির এ ধরনের সমস্যার সমাধান নির্ভর করে কতদিন ধরে এই সমস্যা চলছে তার উপর। তবে একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে আপনি আপনার গাড়ির সেলফ এবং রিবন চেক করে দেখুন। যদি এর কোনটিতে সমস্যা হয়ে থাকে, তবে দক্ষ মেকানিক এর কাছে রিপেয়ার করুন। আপনার গাড়ির এ ধরনের আর সমস্যা থাকবেনা বলে আশা করছি।

প্রশ্ন: আমার গাড়িটা ইদানিং খুব ভার ভার চলছে জোরে পিকাপ করা লাগে কারনটা কি একটু বলবেন?

উত্তরঃ এ ধরনের সমস্যা হলে আপনি প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার গাড়ির মবিল চেঞ্জ করে দেখুন। যদি এর পরেও কোন সমাধান না পান, তবে গাড়ির এয়ার ফিল্টার এবং স্পার্ক প্লাগ চেক করে দেখুন। আশা করি আপনি আপনার গাড়ির সমস্যা এর সমাধান খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।

প্রশ্ন: আমার গাড়ি কালো ধোঁয়া দিচ্ছে? এ সমস্যা থেকে কি ভাবে সমাধান পাওয়া যায়?
উত্তরঃ এ ধরনের সমস্যা গাড়ি না দেখে নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। তবে সাধারণত গাড়ির ইঞ্জিন মবিল বেশি নিচ্ছে বলে কালো ধোয়া ছাড়ছে। আপনি ভাল কোন কার ওয়রকশপ গাড়ি নিয়ে ইঞ্জিন চেক করে দেখুন, আশা করি আপনি সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন।

পেট্রোল ইন্জিন কীভাবে কাজ করে?একটি পেট্রল ইঞ্জিন মূলত একটি জ্বালানী হিসাবে পেট্রল ব্যবহার করে এমন একটি ইঞ্জিন. ইঞ্জিন ইন...
10/05/2017

পেট্রোল ইন্জিন কীভাবে কাজ করে?

একটি পেট্রল ইঞ্জিন মূলত একটি জ্বালানী হিসাবে পেট্রল ব্যবহার করে এমন একটি ইঞ্জিন. ইঞ্জিন ইনসাইড, বাতাসের সঙ্গে মিশ্রিত জ্বালানি পোড়ানো গরম গ্যাস উত্পাদন করে. তাদের সরাতে ঘটায় যা ইঞ্জিনের অংশ বিরুদ্ধে প্রসারিত যে এই গ্যাস.আমি একটি 1 সিলিন্ডারের ইঞ্জিন নেভিগেশন ব্যাখ্যা করবে. এই সহজে বুঝতে তোলে. সিলিন্ডারের ভিতরে সিলিন্ডার পাশ দেয়ালে টাইট আপ করুন এবং নিচে চলে আসে যে একটি পিস্টন হয় . পিস্টন নীচে সংযুক্ত একটি ছিপ হয় . ছিপ ইঞ্জিন নীচে একটি ক্র্যাঁকশাফ্ট নামক একটি খাদ সাথে সংযোগ করে. ক্র্যাঁকশাফ্ট সংক্রমণ সাথে সংযুক্ত করা হয় . পিস্টন নিম্নগামী সরানো হয় যখন এটি জ্বালানী হয় একটি carbuerator গাড়ির প্রাক বা পিস্টন উপরের ইলেকট্রনিক জ্বালানি ইনজেকশন সিস্টেম ( EFI callel ) মাধ্যমে এ pumped মাধ্যমে টানা , ক্র্যাঁকশাফ্ট সক্রিয়. ক্র্যাঁকশাফ্ট এখনও বাঁক হয় এবং ভরবেগ ফিরে আপ পিস্টন push কর্মের. পিস্টন উপরের জ্বালানি এবং বিমান সংকুচিত হয় পেট্রল জন্য অন্তত 120psi , ডিজেল জন্য 500psi.একটি পেট্রল ইঞ্জিন ইন সংকুচিত মিশ্রণ নিচে পিস্টন অত্যাচার সিলিন্ডারের উপরের অংশে অবস্থিত একটি স্পার্ক প্লাগ দ্বারা ধরা হয় . একটি ডিজেল ইঞ্জিন ইন ডিজেল / বায়ু মিশ্রণ তাপ তৈরি করতে আরো সংকুচিত আছে . তাপ এটি ignites এবং নিম্নগামী পিস্টন বাধ্য করে যে এত তীব্র হয়ে ওঠে এভাবে কাজ করে একটি পেট্রল ইঞ্জিন।

Address

Tamabil Road, Jaintapur
Sylhet
3100

Telephone

+88 01716 572898

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kamal Auto Engineering Workshop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share