Ahsan enterprise - আহ্সান এন্টারপ্রাইজ

  • Home
  • Bangladesh
  • Feni
  • Ahsan enterprise - আহ্সান এন্টারপ্রাইজ

Ahsan enterprise - আহ্সান এন্টারপ্রাইজ motorcycle Servicing, Washing, Various type of parts, modification elements and accessories are available here.

Our Passion is to Serve You with the Very Best And We have the Perfect Team to Do the Job for You.
28/03/2017

Our Passion is to Serve You with the Very Best And We have the Perfect Team to Do the Job for You.

যতই সাবধানতার ভাব ধরুননা কেন মোটর সাইকেলের অ্যাকসিডেন্ট মানেই বুঝতে হবে মারাত্নক ব্যাপার। সামান্য ভুলের কারণে মৃত্যুবরণ!...
20/02/2017

যতই সাবধানতার ভাব ধরুননা কেন মোটর সাইকেলের অ্যাকসিডেন্ট মানেই বুঝতে হবে মারাত্নক ব্যাপার। সামান্য ভুলের কারণে মৃত্যুবরণ! তাতে মাত্র ১ সেকেন্ড সময়ই যথেষ্ট ।ভুলটি হয়ত আপনি করলেন বা অন্য কেউ করবে কিন্তু ক্ষয়-ক্ষতি অথবা মৃত্যু হতে পারে আপনার।সাথে যদি পরিবার-পরিজন থাকে তারাও বাদ যাবেনা এই ক্ষয়-ক্ষতি থেকে।অতএব সাবধান হোন।

30/01/2017

মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে একটা কথা প্রচলন আছে। সেটা হচ্ছে-‘‘দু’ধরনের মোটরসাইকেল চালক আছেন; একজন ইতিমধ্যে দূর্ঘটনার শিকার হয়েছেন আর অন্যজন দূর্ঘটনার জন্য তৈরী হচ্ছেন।’’ অর্থাৎ বাইক চালাতে গেলে আপনার দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা প্রচুর!! কেউ গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারেনা যে তার দূর্ঘটনা ঘটবেনা। ধরা যাক, আপনি বাইক চালাতে পারদর্শী- কিন্তু বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাক ড্রাইভারও কি যথেষ্ঠ পারদর্শী ? কেউ কেউ একবার পড়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার সাবধান হোন। অনেকে সেই সুযোগই পাননা। সরাসরি পটল তুলেন ! আমি চাইনা আপনার দূর্ঘটনা ঘটুক বা বাইক চালানোর ব্যাপারে আতঙ্কিত হয়ে উঠুন। আমি শুধু বলছি, বাইক চালান কিন্তু সবধরনের সাবধানতা অবলম্বন করেই।
মোটর সাইকেল চালানোর আগে আমাদের অবশ্যই প্রয়োজনীয় পোশাক পরিচ্ছদ পরে নেওয়া উচিত। আমাদের দেশে অনেকে লুঙ্গি পরেও মোটরসাইকেল চালান যা শুধু দৃষ্টিকটুই নয়; অত্যন্ত বিপদজনক( অবশ্য যদি ভিতরে একটু হাওয়া বাতাস লাগাতে চান তাহলে আলাদা ব্যাপার।) মোটর সাইকেল চালানোর জন্য আলাদা পোশাক কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু আমাদের মত গরম দেশে জ্যাকেট পরে বাইক চালানো সত্যি কষ্টকর! তবুও বাঁচতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পোশাক পরে নেওয়া উচিত। ঘন্টায় মাত্র ২০ কি:মি: গতিতে থাকা অবস্থায় আপনি যদি কোন পিচ ঢালা রাস্তায় আছাড় খান- আক্ষরিক অর্থেই পিচ আপনার চামড়া তুলে নেবে!! অথচ সাধারনত: আমরা কমপক্ষে ঘন্টায় ৪০ কি:মি: থেকে ৭০ কি:মি: গতিতে বাইক চালিয়ে থাকি। এই অবস্থায় পড়লে কি হবে বুঝতেই পারছেন। কাঁচা রাস্তা হলেও খুব যে একটা সুবিধা হবে বলে মনে হয় না।সুতরাং রিস্ক নেবেন কেন? তাই আসুন বাইক চালানোর সময় পরিধেয় বস্ত্র সম্পর্কে জেনে নেই।

*হেলমেটঃ
বাইকারদের জন্য সবথেকে বেশি দরকারি হলো হেলমেট । আমাদের দেশে এটার জন্য আইন ও প্রনয়ন করা হয়েছে । বাজারে বিভিন্ন ধরনের হেলমেট পাওয়া যায় । এর আগে আমাদের ই এক লেখক রনি ভাই হেলমেট নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছেন। আশা করি হেলমেট সম্পর্কে ফিচারটি আপনারা আগেই পড়েছেন ।তাই এই পর্বে হেলমেট নিয়ে বেশি কিছু লিখলাম না।

*রাইডিং গ্লাভ্সঃ
বাইক চালানোর রাইডিং গ্লাভ্স আরেকটি প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট। পড়ে যাওয়ার সময় আমরা স্বভাবত:ই হাত ব্যবহার করে পতন আটকানোর চেষ্টা করি। আমি নিজেই যখন প্রথম মোটরসাইকেল কিনেছিলাম তখন একটা এ্যাকসিডেন্টে আমার বাম হাত ভেঙ্গে যায়! মার্শাল আর্টের ব্রেকফল ও কাজে লাগানোর সুযোগ পাইনি। বাসায় রাইডিং গ্লাভস ছিল; কিন্তু পরা হয়নি। ফলশ্রুতিতে একগাদা ছোট ছোট পাথর ও ইট তালুর মধ্যে ঢুকে যায়। সেগুলো হাসপাতালে যখন বের করছিল তখন বুঝেছিলাম গ্লাভ্স না পরার শাস্তি। এত দ্রুত সব ঘটে যায় যে আপনি ইচ্ছেমত আছাড় খাবেন তার উপায় নেই। তাই অবশ্যই রাইডিং গ্লাভস পরবেন। রাইডিং গ্লাভ্স চামড়ার হলে ভালো হয়। গ্লাভস এমন হবে যাতে আপনি সহজেই ব্রেক, ক্লাচ চাপতে পারেন।

*জুতোঃ
জুতো অবশ্যই পরবেন। বুট টাইপের জুতো হলে খুবই ভালো; নইলে কমপক্ষে চামড়ার জুতো পরুন। (সাবধান-গ্যাস পাইপ বা সাইলেন্সার প্রচন্ড গরম থাকে। সেখানে কোন ভাবে খালি পা ছুঁয়ে ফেললে আর রক্ষে থাকবেনা।) কেড্স এখানে খুব একটা কাজে আসবেনা। তবে স্যান্ডেল পড়ার থেকে কেড্স পড়া ভালো।

*পোষাকঃ
উজ্জ্বল রঙ যেমন হলুদ, কমলা, সাদা রঙের পোশাক পরুন যাতে বেশ দুর থেকেই অন্যান্য যানবাহনের ড্রাইভার আপনাকে দেখতে পায়। শীত হলে জ্যাকেট পরুন। গরমে ফুলহাতা মোটা জিন্স জাতীয় শার্ট পরুন। সব ঋতুর জন্যেই জিন্স বেশ আরাম দায়ক। এটা ছিলে যাওয়া থেকে অন্যান্য কাপড়ের থেকে বেশি সুরক্ষা দেয়। সুতরাং জিন্স এর পোশাক ব্যবহার করা ভালো। তবে জিন্স সুরক্ষার জন্য পারফেক্ট বলা যাবেনা-অন্যান্য কাপড়ের চেয়ে ভাল; এ’টুকু বলা যায়। সবচেয়ে ভাল লেদার প্যান্ট এবং লেদার জ্যাকেট। কিন্তু এগুলোর দাম বেশী; আর গরমে পরা অসম্ভব।

=======================মোটরসাইকেল সার্ভিসিং এর সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনায় আনা প্রয়োজনঃ======================= মোটরসাইকেল ধ...
28/01/2017

=======================মোটরসাইকেল সার্ভিসিং এর সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনায় আনা প্রয়োজনঃ=======================

মোটরসাইকেল ধুলাবালি লেগে থাকুক আর না থাকুক , বাইকের পারফরমেন্স টিপটপ থাকুক এটা কিন্তু আমরা সবাই চাই। মোটরসাইকেল সার্ভিসিং এজন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সময়মতো সার্ভিসিং করলে পাশাপাশি যত্ন নিলে দীর্ঘদিন ইঞ্জিনে হাত দিতে হয়না। রাস্তায় কোথাও দাড়াতে হয়না।এটা হলো সুনির্দিষ্ট কিছু কাজের সমষ্টি।আপনার মোটরসাইকেল যেখানেই সার্ভিসিং করান , খেয়াল করে নিম্নের কাজগুলো নিশ্চিত করুন।

প্রথম কাজ : মোটরসাইকেল ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করুন। ভালোভাবে কম্প্রেস বাতাস দিয়ে শুকিয়ে ফেলুন।

দিতীয় কাজ : স্পার্ক প্লাগ, প্লাগের স্থান পরিষ্কার করুন , প্লাগ এর গ্যাপ (০.৮ - ০.৯ এমএম ) ঠিক করুন।

তৃতীয় কাজ : ভাল্ভ / টেপেট ক্লিয়ারেন্স ঠিক আছে কিনা দেখুন , না থাকলে ঠিক করুন। (হাতের আন্দাজে করলে ভালো হবে না, পারফেক্ট চাইলে ফিলার গজ দিয়ে কাজটা করুন।)

চতুর্থ কাজ : আইডল আরপিএম ঠিক করুন। ১২০০-১৫০০ আরপিএম মধ্যে রাখুন।

পঞ্চম কাজ : ফুয়েল লাইনের কোথাও লিক , ফাটা আছে কিনা দেখুন। চেক করুন।

ষষ্ঠ কাজ : এয়ার ফিল্টার নির্দেশিকা অনুসারে পরিস্কার করুন।

সপ্তম কাজ : ইঞ্জিন অয়েল , অয়েল ফিল্টার পরিবর্তন করুন।

অষ্টম কাজ : সামনের এবং পিছনের ব্রেক চেক করুন। সমন্বয় করুন।

নবম কাজ : ক্লাচ লিভার ফ্রি প্লে চেক করুন। সমন্বয় করুন। (সাধারনত ১০-১৫ এমএম।)

দশম কাজ : চাকার হল অবস্থা দেখুন , কাচ, ছোট পিন, পেরেক কোথাও লুকাই আছে কিনা দেখুন। পরিষ্কার করুন। মেয়াদ উত্তীর্ণ মার্কিং স্পর্শ করলে চাকা পরিবর্তন করুন।

১১তম কাজ : উভয় চাকার বিয়ারিং ঢিলা বা ক্ষতিগ্রস্ত কিনা চেক করুন।

১২তম কাজ : হ্যান্ডেল বার ডান দিকে বাম দিকে মসৃন ভাবে ঘুরতেছে , কোথাও টাইট ঢিলা অনুভুত হলে এডজাস্ট করুন।

১৩তম কাজ : সামনের চাকার ফোর্ক (সাসপেন্সান ), পিছনের চাকার শক (সাসপেন্সান ) ঠিকভাবে কাজ করছে, তেল লিক হচ্ছে না চেক করুন।

১৪তম কাজ : ড্রাইভ চেইন বেশি ঢিলা , বেশি টাইট থাকলে এডজাস্ট করুন , চাকার দুপাশের মার্কিং অনুযায়ী চেইন সমান্তরাল করুন। নির্দেশিত লুব্রিক্যান্ট চেইন এ লাগান।

১৫তম কাজ: সকল নাট বোল্ট চেক করুন , ঢিলা হলে টাইট করুন।

১৬তম কাজ : সকল বাতি, ইলেকট্রিকেল সুইচ পরীক্ষা করুন।

১৭তম কাজ : চাকার হাওয়ার প্রেসার চেক করুন, প্রয়োজনে হাওয়া দিন।

১৮তম কাজ : আইডল আরপিএম এ নির্গত ধোয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড পরিমাপ করুন, সমন্বয় করুন। (প্রধান সার্ভিস সেন্টার ছাড়া সম্ভব না।)

১৯তম কাজ : সকল নড়াচড়া স্থান (মেটাল টু মেটাল) চেক করুন, লুব্রিক্যান্ট দিন। সাইড স্ট্যান্ড, সেন্টার স্ট্যান্ড , স্প্রিং এর দুই প্রান্ত।

২০তম কাজ : উভয় চাকার ব্রেক সুইচ চেক করুন।

২১তম কাজ : ক্লাচ ক্যাবল , থ্রটল ক্যাবল চেক করুন, লুব্রিক্যান্ট দিন।

২২তম কাজ : সার্ভিসিং এর পর ফ্রন্ট ডিস্ক রটর পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন।

২3তম কাজ : উপরের সব শেষ হলে একটা টেস্ট ড্রাইভ দিন।এরপর ক্লিন করে
পালিশ করুন।

আশা করি আপনার মোটরসাইকেল চমৎকার পারফরমেন্স দিবে। আজ এই পর্যন্ত। ভালো থাকুন আপনি,ভালো থাকুক আপনার মোটরসাইকেল।

05/11/2016

দেখুন ভিডিওতে অবাক করা ঘটনা! মৃত ব্যক্তির অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী লাশের সাথে তার প্রিয় মোটর সাইকেলও কবর দেয়া হলো।

আপনার মোটর বাইকের সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী বা সময়মত স্পার্ক প্লাগ পরিবর্তন করুন।
01/11/2016

আপনার মোটর বাইকের সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী বা সময়মত স্পার্ক প্লাগ পরিবর্তন করুন।

এখন থেকে সাইকেল কিংবা মোটরসাইকেল চুরি করতে গেলেই বমি করে মারা যাবে চোর। শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। আবার যে সে বমি নয়,...
01/11/2016

এখন থেকে সাইকেল কিংবা মোটরসাইকেল চুরি করতে গেলেই বমি করে মারা যাবে চোর। শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। আবার যে সে বমি নয়, একেবারে বেপরোয়া বমি, যা সহজে থামবার নয়। ব্যাপারটা একটু পরিষ্কার করে বলা যাক।

আমেরিকার সানফ্রান্সিকো শহরের বাসিন্দা ড্যানিয়েল। যত বার মোটর বাইক কিনে আনেন, ততবারই তা চুরি হয়ে যায়।

এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য তার এক ‘কেমিস্ট’ বন্ধুকে সঙ্গে শুরু করলেন নতুন ধরণের ‘বাইক লক’ বানানোর চেষ্টা। তার চেষ্টা বিফলে যায়নি।

ড্যানিয়েল জানিয়েছেন, ‘এই লকের মধ্যে এক ধরনের কেমিক্যাল দেওয়া থাকে, যা মানুষকে আচ্ছন্ন করে রাখে। তবে পুরোপুরি অজ্ঞান করে না।

বরং মাথার মধ্যে ঝিমঝিম ভাব এনে দেয়। সঙ্গে থাকে বিশেষ এক রকমের গ্যাস, যা নাকে যাওয়া মাত্রই গা গুলিয়ে উঠবেই, পাশাপাশি বমি।’

ড্যানিয়েল জানান, ‘প্রথমে এই লকটা আমরা নিজেদের ওপর ট্রাই করি। তারপরই বাজারে নিয়ে আসার কথা ভাবতে শুরু করি।’ এই লকের খপ্পরে যদি কোনো বাইক চোর পরে, তাহলে সে সারাজীবনের মতো বাইক চুরি ভুলে যাবে।’

ড্যানিয়েল এই লকের নাম রেখেছেন ‘সাঙ্কলক’। আমেরিকা ছাড়াও এই লক ছড়িয়ে পড়েছে নেদারল্যান্ডস, ব্রিটেন, সাউথ আফ্রিকা, কানাডাতেও। তবে এশিয়ার দেশগুলোতে কবে এই লক বাজারে আসবে তা জানা যায়নি।

মোবাইল এস.এম.এস-এ কিভাবে বি.আর.টি.এ -র রেজিস্ট্রেশন, লাইসেন্স চেক করবেনঃ-Here comes Robi with another innovation to enri...
29/10/2016

মোবাইল এস.এম.এস-এ কিভাবে বি.আর.টি.এ -র রেজিস্ট্রেশন, লাইসেন্স চেক করবেনঃ-

Here comes Robi with another innovation to enrich its users’ mobile experience!
Robi has introduced e-Traffic services in association with Dhaka Metropolitan Police for the first time in Bangladesh.
e-Traffic services are available EXCLUSIVELY to Robi subscribers.
Robi users are now able to avail below services via SMS:
Validation of Vehicle Registration number
Validation of Engine number
Validation of Chassis number
Validation of Fitness Certificate
Validation of Tax Token
Validation of ownership details
Information regarding Traffic case filed against a vehicle
Validation of Driving License
How can you avail the services?
e-Traffic services are accessible only from yourRobi connection. To avail these services,
dial *28787 follow the instructions or
Send SMS to 28787 in the format mentioned in the table given below
How much will it cost?
Only the regular SMS push-pull service charge (BDT 2+VAT per SMS) will be applicable
Content Categories
Message Format
Registration Checking
R
Case Info
CASEVehicle Registration #
Case Info
CASEID
Driving License
DLDriving License number as it appears in the card
Chassis Validation
CSVehicle Registration #
Engine no.Validation
EnVehicle Registration #
Ownership Checking
OWNVehicle Registration #
Fitness Validation
FTVehicle Registration #
Tax Token
TTVehicle Registration #
Prosecution code
PRcode
Note:
Dhaka Metropolitan Police (DMP) and Bangladesh Railway and Transport Authority (BRTA) will be solely responsible for the authenticity of the information being provided through these services
Users can SMS “Help” to 28787 to know the keywords of e-Traffic SMS Services BRTA is solely responsible for the information on Vehicle Registration number, Engine number, Chassis number, Fitness Certificate, Tax Token, Ownership details and Driving License.
Digital Driving License (newly issued) information is not available at the moment DMP is solely responsible for the Information related Traffic case filed against a vehicle
In case a vehicle information is not accessible via e-Traffic services, the user enquiring about the vehicle information will have to contact with the respective authority (DMP/BRTA as applicable)

HONDA ব্র্যান্ড এর মুল্য শুধুমাত্র বাইকার নয় সর্ব সাধারনও জানে... বাইক মানেই হোন্ডা এটা মনে হয় একমাত্র বাংলাদেশেই প্রচল...
23/10/2016

HONDA ব্র্যান্ড এর মুল্য শুধুমাত্র বাইকার নয় সর্ব সাধারনও জানে... বাইক মানেই হোন্ডা এটা মনে হয় একমাত্র বাংলাদেশেই প্রচলিত কিন্তু কেন ? উত্তর একটাই, এর কোয়ালিটি......

২০১৬ মডেল,২০১৬ রেজিষ্ট্রেশন মাত্র ৪৮৩৫ কিলোমিটার চালিত (নতুনই বলা চলে) HONDA CBR ১৫০ সিসির নিখুত বাইকটি বিক্রী হবে।

যোগাযোগঃ- আহ্সান এন্টারপ্রাইজ,বাথানিয়া,(গ্যাস কোম্পানী) ফেনী।

এক লিটার তেলে কত পথ যাচ্ছে মোটরসাইকেলটি সেটা জানা জরুরি। বিষয়টি অনেকেই জানেন না আবার অনেকেই হয়ত জানেন।তবে যারা জানেন না ...
15/10/2016

এক লিটার তেলে কত পথ যাচ্ছে মোটরসাইকেলটি সেটা জানা জরুরি। বিষয়টি অনেকেই জানেন না আবার অনেকেই হয়ত জানেন।
তবে যারা জানেন না বা যাদের জানার মধ্যে ভুল আছে, তারা জেনে নিন মাইলেজ চেক করার সঠিক উপায়।
দুইটি উপায়ে মোটরসাইকেলের সঠিক মাইলেজ চেক করা যায়। প্রথমটি হলো :
আপনার মোটরসাইকেলটির ফুয়েল ট্যাংক খোলার পর দেখবেন ট্যাংকের মুখের কাছে একটি বা দুইটি ছোট ছিদ্র আছে। ছিদ্র চিহ্নিত করার পর সেই ছিদ্রের ১/২ সেন্টিমিটার নিচ পর্যন্ত তেল (পেট্রোল/অকটেন) ভর্তি করুন। স্বাভাবিকভাবে মোটরসাইকেলের আর.পি.এম ৫০০০/৬০০০ এর মধ্যে রেখে ৬০/৭০ কিলোমিটার গতিতে ৩০ বা ৫০ কিলোমিটার পথ মোটরসাইলটি চালান।
এরপর আবার পূর্বের চিহ্ন পর্যন্ত তেল ভর্তি করুন। এবার দেখুন কত টাকার বা লিটার তেল নেওয়ার পর আবার আগের চিহ্নিত জায়গা পর্যন্ত তেল ভর্তি হলো। তাহলে জেনে যাবেন কতটুকু তেলে ঠিক কত কিলোমিটার মোটরসাইকেল চালালেন।
এবার আপনি চাইলে ঐকিক নিয়মে বের করে ফেলতে পারবেন প্রতি লিটার তেলে আপনার মোটরসাইকেল কত কিলোমিটার চলে।
দ্বিতীয় পদ্ধতি : একটি ৫০০ মিলিলিটার মিনারেল ওয়াটারের খালি বোতল নিন। এবার কার্বোরেটরের ফুয়েল সাপ্লাইয়ার পাইপটির যে প্রান্ত ট্যাংকের ফুয়েল সুইচের সঙ্গে যুক্ত থাকে, সেই প্রান্তটি বোতলের ক্যাপের সঙ্গে যুক্ত করুন।
কাজটি এমনভাবে করবেন যেন সংযোগটি লিকেজমুক্ত হয়। তারপর বোতলে ১০০ বা ২০০ মিলিলিটার পেট্রোল নিন। এরপর মোটরসাইকেলের তেল শেষ হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে দেখুন কত কিলোমিটার চলে। এভাবে সহজেই বেরিয়ে আসবে আপনার মোটরসাইকেলের সঠিক মাইলেজ।
মনে রাখবেন, অকটেনের চেয়ে পেট্রোলে মাইলেজ বেশি পাওয়া যায়। এ ছাড়া পেট্রোল ইঞ্জিনও ভালো রাখে।

নিচে কিছু মোটরসাইকেলের সম্ভাব্য মাইলেজের ধারনা দেয়া হলো-

বাজাজ ডিসকোভার ১০০ সিসি (তেল সাশ্রয়ী বাইক ৬০-৬৫ কিমিঃ)
বাজাজ প্লাটিনা ১০০ সিসি (তেল সাশ্রয়ী বাইক ৬৫-৭০কিমিঃ)
বাজাজ ডিসকোভার ১২৫ সিসি/১৩৫সিসি (স্মুথ রাইডিং ৪৫-৫০ কিমিঃ)
বাজাজ ডিসকোভার ১৫০সিসি (৪০-৪৫ কিমিঃ)
বাজাজ পালসার ১৫০সিসি (হেভী ওয়েট বাইক ৩০-৩৫ কিমিঃ)

হিরো হাঙ্ক ১৫০সিসি (হেভী ওয়েট বাইক ৩০-৩৫ কিমিঃ)
হিরো Splendor ১০০সিসি (তেল সাশ্রয়ী বাইক ৫৫-৬০ কিমিঃ)
হিরো cbz ১৫০ সিসি (৩৫-৪০কিমিঃ)

ইয়ামাহা এফজেড/এফজেড এস ১৫৩ সিসি (২৫-২৮ কিমিঃ)
ইয়ামাহা ফেজার ১৫৩ সিসি (২৫-২৭ কিমিঃ)
ইয়ামাহা আর১৫ ভা-১/ইয়ামাহা আর১৫ ভা-২ ( ১৫০সিসি ২০-২৫ কিমিঃ)
ইয়ামাহা এসজেড-আর ১৫০ সিসি (৩৫-৪০ কিমিঃ)

টিভিএস মেট্রো ১০০ সিসি(তেল সাশ্রয়ী বাইক ৫৫-৬০ কিমিঃ)
টিভিএস এপাচি আরটিআর ১৫০সিসি/১৮০সিসি (রেসিং ডিএনএ ৩০-৩৫ কিঃমি)

জাপানী সিডি ৫০ সিসি (ওল্ড ইজ গোল্ড তেল সাশ্রয়ী বাইক ৯০- কিমিঃ)
জাপানী সিডি ৮০ সিসি ( তেল সাশ্রয়ী বাইক ৭০-৮০কিমিঃ)

*সবশেষে মনে রাখতে হবে যে,মোটরসাইকেলের অবস্হা,চালানো,রাস্তার ধরন ও যানজটের কারণেও মাইলেজের তারতম্য হতে পারে।

মোটরসাইকেলের বিবিধ সুবিধার জন্য এর জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী ।আর দূর্ঘটনার কথা বাদ দিলে মোটরসাইকেল সত্যিই একটি অসাধারন যা...
15/10/2016

মোটরসাইকেলের বিবিধ সুবিধার জন্য এর জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী ।
আর দূর্ঘটনার কথা বাদ দিলে মোটরসাইকেল সত্যিই একটি অসাধারন যানবাহন। অন্যান্য গাড়ীর তুলনায় এর জ্বালানী
খরচও অনেক কম। পার্কিং, মেইনটেইন্যান্স খরচ , দাম ইত্যাদি মিলিয়ে মটরসাইকেল সত্যি ই অসাধারন।
কিন্তু সমস্যা একটাই দূর্ঘটনা!! দূর্ঘটনার সাথে ভাগ্যের একটা ব্যাপার আছে। কিন্তু তার চেয়ে বেশি হচ্ছে
ঠিকমত চালাতে না জানা এবং অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।

৬৬% মোটরসাইকেল এ্যাক্সিডেন্ট ঘটে নতুন চালকদের। নতুন বলতে আমি তাদের বলছি যারা ৫,০০০ কি:মি: এর নীচে চালিয়েছেন!! অতএব বুঝতেই পারছেন যারা অন্যের মোটর সাইকেল কয়েকবার চালিয়ে ভেবে বসে আছেন, আমি মোটরসাইকেলচালাতে পারদর্শী- তারা কতটা ভুল ভেবেছেন। বহু প্রশিক্ষন ব্যতিত পারদর্শী তো দুরের কথা আপনি রাস্তায়
চালানোর যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেননা। আর আমাদের দেশে টাকা দিলেই সব কিছু পাওয়া যায় সেখানে
ড্রাইভিং লাইসেন্সতো সাধারন ব্যাপার। তাই সেটা পেলেই আপনি অভিজ্ঞ হয়ে গেছেন তা বলা যায়না।

তাছাড়া আমাদের দেশের মোটর সাইকেল প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা খুব একটা নিখুঁত নয়।এ পদ্ধতি বাস্তবে কতটা কাজে লাগে তা পরীক্ষাদিলেই বুঝতে পারবেন। লেখাটি পড়ে আপনার মনে হতে পারে এত নিয়ম মনে রাখা কি সম্ভব?? আসলে পড়ার সময় অনেককিছু মনে হলেও কাজ গুলো যখন বহুবার চেষ্টা করে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন তখন অবচেতন মনেই আপনি ঠিক কাজটিকরবেন।যারা মার্শাল আর্ট চর্চা করেন তখন আপনি হয়তো দেখে থাকবেন তারা বিভিন্ন রকম এক্সারসাইজ করেন- যাতে সত্যিকার মারামারির সময় চিন্তা ভাবনা করে হাত-পা চালাতে না হয় । মারামারির সময় স্বয়ংক্রিয় ভাবেই তাদের হাত পা চলতে থাকে।মানুষের মস্তিষ্ক এতই শক্তিশালী যে, যেকোন সুপার কম্পিউটারের চাইতেও দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে। দরকার শুধু নিয়ম জেনে অনুশীলনের ।

আমরা অনেকেই মোটর সাইকেল চালাতে জানি কিন্তু সেই জানাটা কতটা ঠিক-এই লেখাটি পড়লেই বুঝতে পারবেন। এই লেখা শুধু শিক্ষানবিসদের জন্যেই নয়- অনেক পারদর্শী ও লেখাটি পড়ে উপকৃত হবে বলে আমার বিশ্বাস।একই বাইকের মধ্যে সব সুবিধা- এমন কোন বাইক পাওয়া অসম্ভব। এক একটি বাইক এক এক ধরনের মানুষের জন্য প্রযোজ্য। আপনি যদি অনেক লম্বা হন, আর আপনি যদি একটি ৫০ সি.সি বাইকে ঘুরে বেড়ান; সেটা হাস্যকর দেখাবে। আপনার উচ্চতা ও ওজন অনুসারে মোটর সাইকেল কেনা উচিত।

অবশ্য আপনার বাজেটের দিকেও খেয়াল করতে হবে । যেহেতু জ্বালানি তেলের দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে সে ক্ষেত্রে বাইক কেনার আগে জ্বালানি খরচের দিকেও খেয়াল রাখা উচিত। বিশেষ করে যারা প্রায় সারাদিনই বিভিন্ন কাজে মোটর সাইকেলের উপরই থাকেন ( যেমন : ঔষধ কম্পানির মাঠ কর্মী গণ ) তাদের জন্যে তো জ্বালানি সংক্রান্ত দিকটা সবার উপরে স্থান দেওয়া উচিত। আপনার মোটর সাইকেলের সি.সি (কিউবিক সেন্টিমিটার) যত বেশি হবে; সাধারনত: জ্বালানি খরচ তত বেশি হবে। একটা ৫০ সি.সি. মোটর সাইকেল আর একটি ১২৫ সি.সি. মোটর সাইকেলের তেলের খরচের অনেক পার্থক্য। তবে সি.সি. যত বেশি হবে বাইকের শক্তি তত বেশি হবে এটা সবাই ই জানে ।

একজন বডিবিল্ডারের যেমন শক্তি বেশি; তেমনি তার খাবারের পরিমাণও বেশি। আমরা সাধারন মানুষেরা যেমন কম খেয়ে থাকি;তেমনি আমাদের শক্তিও বডি বিল্ডার বা কুস্তিগিরদের তুলনায় অনেক কম। এবার হর্স পাওয়ার আর টোর্ক সম্পর্কে জানুন। (যে যন্ত্রের সাহায্যে হর্স পাওয়ার ও টোর্ক মাপা যায় তাকে ডায়নামোমিটার বা সংক্ষেপে ডায়নো বলে।) অনেকে মনে করেন হর্স পাওয়ার ( ১ অশ্বশক্তি = প্রতি সেকেন্ডে ৫৫০ ফুট পাউন্ড) বেশি মানেই খুব ভাল মোটর সাইকেল-ব্যাপারটা শুধু তাই
নয়; এর সংগে টোর্কও সম্পর্কযুক্ত। ( টোর্কও মানে হচ্ছে টেনে নেওয়ার শক্তি।) একটা উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটা পরিস্কার হয়ে যাবে।ধরা যাক, আপনার খুব বেশি ২৫ হর্স পাওয়ারের একটা বাইক আছে; যার টোর্ক ১০ফুট/পাউন্ড । এক্ষেত্রে আপনার বাইক জোরে যাবে অবশ্যই তবে সেই সম্পূর্ন গতি পেতে সময় লাগবে। এবার একটি ৭০ফুট/পাউন্ড টোর্কের ইঞ্জিন; যার হর্স পাওয়ার মাত্র ৫৫।সে চট কস্পীডতুলতেপারবে; কিন্তু খানিকক্ষনের মধ্যেই বেশি হর্স পাওয়ারের মোটরসাইকেলের পেছনে পড়ে যাবে। তাই বাইক কেনার সময় আপনার প্রয়োজন অনুসারে হর্স পাওয়ার ও টোর্ক দেখে কিনুন। বিশেষজ্ঞদের মতে বর্তমান সময়ে হর্স পাওয়ারের চেয়ে টোর্ক বেশি হওয়ায় ভাল। বিশেষ করে আমাদের দেশের রাস্তা উন্নত দেশের মত নয়; হঠাৎ করে গতি পেলে আমাদের জন্যে সুবিধে হয়। মনে রাখা প্রয়োজন।

অতএব বাইক চালক হিসাবে সাবধান হোন,ট্রাফিক আইন মেনে চলুন।
15/10/2016

অতএব বাইক চালক হিসাবে সাবধান হোন,ট্রাফিক আইন মেনে চলুন।

Address

Feni
3900

Telephone

01919799899

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahsan enterprise - আহ্সান এন্টারপ্রাইজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ahsan enterprise - আহ্সান এন্টারপ্রাইজ:

Share