06/06/2025
কুরবানী এটি শরীয়তের নিদর্শন। কুরবানীর অর্থ এই নয় যে বড় বড় পশু জবেহ করা বরং কুরবানীর উদ্দেশ্য হলো মনের ভিতর যে পশু জন্মেছে অর্থাৎ আমিত্ববোধ ও হিংসা বিদ্ধেষ মন থেকে ঝেড়ে ফেলা। কুরবানী করতে হবে আল্লাহ তায়ালার জন্য নিছক গোশত খাওয়া অথবা মানুষকে দেখানোর জন্য যত বড় পশুই কুরবানী করা হোক না কেন তা আল্লাহর কাছে গ্রহণীয় হবেনা।কেননা কুরবানীর পশুর রক্ত,মাংস কোনটাই আল্লাহর কাছে পৌঁছায়না আল্লাহ পশু দেখেননা তিনি মানুষের দিল দেখেন।
কুরআনুল কারীমে ইরশাদ আল্লাহ তায়ালা বলেন, কুরবানীর রক্ত,মাংস আল্লাহর কাছে পৌঁছায়না আল্লাহর কাছে পৌঁছায় তোমাদের নিষ্ঠাপূর্ণ আল্লাহ ভীতি।এই লক্ষেই কুরবানীর পশুগুলোকে তোমাদের অধীন করে দেওয়া হয়েছে। অতএব আল্লাহ তোমাদের সৎপথ প্রদর্শনের মাধ্যমে যে কল্যাণ দিয়েছেন সেজন্য তোমরা আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করো।হে নবী! আপনি আপনি সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ দিন যে,আল্লাহ তায়ালা বিশ্বাসীদের রক্ষা করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ কোন বিশ্বাসঘাতক অকৃতজ্ঞকে পছন্দ করেন না। (সুরা হজ্ব আয়াত ৩৭,৩৮)
কুরবানী যেন পশু জবাইয়ের প্রতিযোগিতা না হয় তা যেন হয় শুধুমাত্র আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে যেন রিয়ামুক্ত ও খালিস নিয়তে কুরবানী করার তাওফিক দান করেন। আমিন II
(সংগৃহীত)