Apon Shonggo

Apon Shonggo serving and caring

09/05/2026

Iife is not a bed of roses.

31/01/2026

মনে রাখবেন: বৃদ্ধ বয়সে ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, দেশের প্রতি কর্তব্য। নির্বাচন কমিশন সকল বৃদ্ধ নাগরিকের ভোটদানে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

https://www.prothomalo.com/opinion/column/4ikww0xjlqশিক্ষিত বেকার কমাতে নির্বাচিত সরকারের যা করতে হবে
08/01/2026

https://www.prothomalo.com/opinion/column/4ikww0xjlq
শিক্ষিত বেকার কমাতে নির্বাচিত সরকারের যা করতে হবে

দেশে এখন দুটি বড় সংকট একসঙ্গে চলমান, যেগুলো শুনতে পরস্পরবিরোধী মনে হলেও আসলে একই সুতোয় গাঁথা। একদিকে নামকরা বিশ্.....

18/12/2025
13/12/2025

বয়স ৪০ পেরোনোর পর থেকেই শরীরে নানা পরিবর্তন দেখা দেয়

https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/kihfm4l2d8
11/12/2025

https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/kihfm4l2d8

বাজারে বা ভ্যানে পাওয়া গেলেও অনেকেই পানিফলের স্বাদ জানেন না বলে এড়িয়ে যান। কিন্তু এতে আছে প্রচুর পুষ্টিগুণ ও স্ব.....

02/12/2025

বয়স্ক ব্যক্তির জন্য ক্লিনিক্যাল ফিজিওলজির পরামর্শসমূহ

হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তচাপ পরীক্ষা:
বয়স বাড়ার সাথে সাথে রক্তচাপ ও হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকারিতা নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি। নিয়মিত ECG বা Echocardiogram করানো উপকারী।

শ্বাস-প্রশ্বাস ও ফুসফুসের কার্যক্রম:
বয়সজনিত কারণে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। Spirometry পরীক্ষা বছরে একবার করানো ভালো।

রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল পর্যবেক্ষণ:
ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত ব্লাড টেস্ট করা উচিত।

কিডনি ও লিভারের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা:
Serum Creatinine, Urea, SGPT, SGOT ইত্যাদি পরীক্ষাগুলো বছরে অন্তত একবার করা দরকার।

শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস:
হালকা ব্যায়াম, পরিমিত খাদ্য গ্রহণ ও পর্যাপ্ত পানি পান করা শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম ঠিক রাখে।

ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্য:
পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক প্রশান্তি শরীরের হরমোন ব্যালেন্স ও স্নায়ুতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ভিটামিন ও খনিজ ঘাটতি পূরণ:
ভিটামিন D, ক্যালসিয়াম ও আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন।

27/11/2025

শীতকাল বয়স্কদের জন্য বিশেষ যত্নের দাবি রাখে, কারণ এই সময়ে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। যেমন: সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, বাত-ব্যথা এবং হাইপোথার্মিয়া (শরীরের তাপমাত্রা মারাত্মক কমে যাওয়া)।

বয়স্ক প্রিয়জনদের সুস্থ ও উষ্ণ রাখতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলিতে বিশেষ মনোযোগ দিন:

🧣 উষ্ণতা ও পোশাক
উষ্ণ রাখুন: অপ্রয়োজনে খুব সকালে বা রাতে ঠান্ডা আবহাওয়ায় বাইরে যাওয়া থেকে বিরত রাখুন। দিনের বেলায় রোদ উঠলে অল্প সময়ের জন্য উষ্ণ সূর্য উপভোগ করা যেতে পারে।

স্তরযুক্ত পোশাক: একটি মোটা কাপড় পরার চেয়ে একাধিক পাতলা আরামদায়ক কাপড়ের স্তর পরান। এতে কাপড়ের স্তরে বাতাস জমা থেকে শরীর উষ্ণ থাকবে এবং হাইপোথার্মিয়ার ঝুঁকি কমবে।

শরীরের অঙ্গ ঢেকে রাখুন: বাইরে বা ঘরে থাকাকালীন কানটুপি, মাফলার বা স্কার্ফ, গরম মোজা, হাতমোজা এবং বদ্ধ জুতো ব্যবহার নিশ্চিত করুন। এতে হাত, পা এবং গলা সরাসরি ঠান্ডা বাতাস থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

ঘরের উষ্ণতা: ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন। খুব ঠান্ডায় প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রুম হিটার ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন ত্বক খুব শুষ্ক না হয়ে যায়।

🥗 খাদ্য ও পানীয়
পর্যাপ্ত জল: শীতকালে জল তেষ্টা কম পেলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করানো খুব জরুরি, কারণ পানিশূন্যতা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। কুসুম গরম জল বা ভেষজ চা (Herbal Tea) পান করানো যেতে পারে।

পুষ্টিকর খাবার: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খাদ্যতালিকায় প্রচুর ভিটামিন-মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার, যেমন - মৌসুমী ফল (লেবু, কমলা), এবং সবুজ শাকসবজি (গাজর, টমেটো, ফুলকপি) রাখুন। গরম স্যুপ বা ব্রথ খাওয়াও খুব উপকারী।

ধূমপান ও মদ্যপান: বয়স্কদের ধূমপান, মদ্যপান এবং অতিরিক্ত চা-কফি পান থেকে বিরত রাখুন।

🏃‍♂️ স্বাস্থ্য ও অন্যান্য যত্ন
হালকা ব্যায়াম: ঠান্ডা লাগার ভয়ে এক জায়গায় বসে না থেকে, ঘরেই নিয়মিত হালকা হাঁটাচলা বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করা প্রয়োজন। এতে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে এবং জয়েন্টের ব্যথা উপশম হতে পারে।

ত্বকের যত্ন: শীতকালে বয়স্কদের ত্বক দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায়। নিয়মিত ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার, ভেসলিন বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন। বাইরে বের হওয়ার আগে ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে।

টিকা নিন: ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং নিউমোনিয়ার টিকা সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এই টিকাগুলি বয়স্কদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওষুধপত্র: উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী রোগের ওষুধ নিয়মিত সেবন নিশ্চিত করুন। বাত-ব্যথা বাড়লে হালকা গরম সেঁক দেওয়া বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

এই সময়ে বয়স্কদের সাথে মানসিকভাবে যুক্ত থাকুন এবং তাদের প্রয়োজনগুলিতে মনোযোগ দিন।

মানুষ কেন রেগে যায় এবং অতিরিক্ত রাগ কোনো রোগের লক্ষণ কিনা—এই দুটো প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং একে অপরের সাথে সম্পর্কিত...
08/11/2025

মানুষ কেন রেগে যায় এবং অতিরিক্ত রাগ কোনো রোগের লক্ষণ কিনা—এই দুটো প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। একজন বিশেষজ্ঞের দৃষ্টিকোণ থেকে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:

১. মানুষ কেন রেগে যায়? 😡
রাগ (Anger) একটি স্বাভাবিক মানবিক আবেগ। এটি সাধারণত তখনই সৃষ্টি হয় যখন একজন ব্যক্তি মনে করে যে তার প্রতি অন্যায় করা হয়েছে, তার সম্মানহানি হয়েছে, অথবা তার লক্ষ্য বা আকাঙ্ক্ষায় বাধা দেওয়া হচ্ছে।

রাগ সৃষ্টির প্রধান কারণগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়:

ক. অভ্যন্তরীণ বা ব্যক্তিগত কারণ (Internal/Personal Factors)
শারীরিক সমস্যা: ঘুম কম হওয়া, ক্ষুধা, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা অসুস্থতা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা।

মানসিক চাপ: দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ (Stress), দুশ্চিন্তা (Anxiety), বা হতাশা (Depression)। এই সমস্যাগুলো মেজাজ খিটখিটে করে দেয় এবং সহনশীলতা কমিয়ে দেয়।

নিজের ব্যর্থতা: যখন কেউ নিজের কোনো ব্যর্থতা বা ভুল মেনে নিতে পারে না, তখন সেই frustration রাগে পরিণত হয়ে বাইরের কোনো কিছুর ওপর প্রকাশ হতে পারে।

খ. বাহ্যিক বা পরিবেশগত কারণ (External/Environmental Factors)
অন্যায্য ব্যবহার: যখন কেউ মনে করে তার সাথে খারাপ বা অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে (যেমন: অপমান, প্রতারণা, মিথ্যা অভিযোগ)।

বাধা: কোনো লক্ষ্য অর্জনের পথে বাধার সম্মুখীন হওয়া (যেমন: ট্র্যাফিক জ্যাম, ধীরগতির ইন্টারনেট, কাজের বিলম্ব)।

ট্রমা বা অভিজ্ঞতা: শৈশবে বা অতীতে কোনো বড় ধরনের মানসিক আঘাত বা ট্রমার (Trauma) অভিজ্ঞতা থাকলে তা সহজেই ট্রিগার হয়ে তীব্র রাগের জন্ম দিতে পারে।

পরিবেশগত অস্বস্তি: অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা, উচ্চ শব্দ, বা ঘিঞ্জি পরিবেশে থাকাও রাগের কারণ হতে পারে।

গ. মনস্তাত্ত্বিক কারণ (Psychological Factors)
চিন্তাভাবনার ভুল: কোনো পরিস্থিতিকে অতিরঞ্জিত করে বা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা (যেমন: সামান্য ভুলকেও ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে দেখা)।

সীমা লঙ্ঘন: যখন কেউ তার ব্যক্তিগত সীমা (Personal Boundaries) লঙ্ঘন করে।

২. অতিরিক্ত রাগ কি কোনো রোগের লক্ষণ? 🩺
হ্যাঁ, অতিরিক্ত, অনিয়ন্ত্রিত, এবং ধ্বংসাত্মক রাগ প্রায়শই একটি অন্তর্নিহিত মানসিক বা শারীরিক রোগের লক্ষণ হতে পারে। এটিকে শুধু খারাপ অভ্যাস হিসেবে দেখা উচিত নয়।

অতিরিক্ত রাগ নিম্নলিখিত রোগ বা সমস্যার লক্ষণ হতে পারে:

রোগের নাম রাগের প্রকৃতি ও কারণ
ইন্টারমিটেন্ট এক্সপ্লোসিভ ডিসঅর্ডার (IED) এটি একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যেখানে ব্যক্তি বারবার এবং হঠাৎ করে তীব্র রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়, যা পরিস্থিতি বা উস্কানির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিষণ্ণতা (Depression) বিষণ্ণতার ক্লাসিক লক্ষণ হলো দুঃখ বা উদাসীনতা। তবে পুরুষদের মধ্যে বা অন্য ক্ষেত্রে বিষণ্ণতা প্রায়শই অতিরিক্ত খিটখিটে মেজাজ (Irritability) বা চরম রাগের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে।
দুশ্চিন্তা (Anxiety Disorders) তীব্র দুশ্চিন্তা বা আতঙ্ক (Panic) ব্যক্তিকে খুবই অধৈর্য ও খিটখিটে করে তোলে, যা সহজেই রাগে পরিণত হয়।
বাইপোলার ডিসঅর্ডার (Bipolar Disorder) এই রোগের ম্যানিক (Manic) পর্বে ব্যক্তি অস্বাভাবিকভাবে উত্তেজিত, আক্রমণাত্মক এবং চরম রাগী হতে পারে।
সীমান্তবর্তী ব্যক্তিত্বের ব্যাধি (Borderline Personality Disorder - BPD) এই রোগে আক্রান্তরা তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না এবং প্রায়শই তীব্র, দ্রুত পরিবর্তনশীল রাগ বা ক্রোধের অভিজ্ঞতা লাভ করে।
পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (PTSD) অতীতে কোনো গুরুতর আঘাতের শিকার ব্যক্তিরা খুব সহজেই রাগের ট্রিগার অনুভব করে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
শারীরিক রোগ থাইরয়েডের সমস্যা, মস্তিষ্কের আঘাত (TBI), বা কিছু নিউরোলজিক্যাল রোগের কারণেও আবেগ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা অতিরিক্ত রাগের কারণ হয়।

Export to Sheets

পরামর্শ: যদি আপনার বা আপনার পরিচিত কারো রাগ ঘন ঘন হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে ওঠে, বা সেই রাগের ফলে নিজের বা অন্যের ক্ষতি হচ্ছে, তবে অবশ্যই একজন মনোচিকিৎসক (Psychiatrist) বা মনোবিজ্ঞানী (Psychologist) এর পরামর্শ নেওয়া উচিত। এটি একটি রোগ হলে সঠিক চিকিৎসা এবং থেরাপির মাধ্যমে তা সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

Address

307/1, South Paik Para
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apon Shonggo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share