ACME Pesticides Limited

ACME Pesticides Limited ACME Pesticides Ltd.

 #ধান_চাষীদের_জন্য_জরুরি_পরামর্শ  #এমন (ছবিতে) পরিপুষ্ট ও সুস্থ সবল চারা হলে প্রতি গোছায় একটি করে চারা রোপন করাই উত্তম। ...
15/07/2025

#ধান_চাষীদের_জন্য_জরুরি_পরামর্শ

#এমন (ছবিতে) পরিপুষ্ট ও সুস্থ সবল চারা হলে প্রতি গোছায় একটি করে চারা রোপন করাই উত্তম।

#চারা রোপনের সময় ছিপছিপে পানি রাখবেন।
#চারার গোড়া যেন ভেঙে না যায়।

#চারা ১" ইঞ্চি গভীরতা রোপন করতে হবে। বেশি গভীরতা হলে কুশি কম হবে।

#অসুস্থ বা আঘাত প্রাপ্ত চারা রোপন করলে কৃষেক বা গোড়া পচা রোগ হতে পারে।

মোঃ ফরিদুল ইসলাম
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
কালিগঞ্জ লালমনিরহাট।

09/07/2025
01/03/2025

কুশি বৃদ্ধি/পাশকাটি বৃদ্ধি অবস্থায় কাটুই উঁরচুঙ্গা পোকা বা কাটুই পোকা বা উই পোকার আক্রমণে এমন হতে পারে।

✅ লক্ষণ:
মাটি সংলগ্ন স্থানে ধান গাছের গোড়া কেটে
খেয়ে ফেলে ফলে মাটির উপরের অংশ হলুদ
হয়ে মরে যায়। গাছ টান দিলে উঠে আসে
এবং গোড়া থেতলানো এবং পচঁন দেখা যায়।

✅ সমাধান/পরামর্শ:
১. আক্রান্ত গাছ জমি থেকে সরিয়ে ফেলুন
এবং পোকা দেখা মাত্রই মেরে ফেলুন।
✅ ৫% এর উপরে গোছা আক্রান্ত হলে আক্রমণ নিচের যে কোন একটি কীটনাশক অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করুন।
🔸 ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক যেমন:
"মিশন ৫৫ ইসি" প্রতি লিটার পানিতে ২
মিলি হারে মিশিয়ে গাছের গোড়া ভিজিয়ে
স্প্রে করুন।
অথবা

🔸 ডায়াজিনন গ্রুপের কীটনাশক(শারিডান) একরে ১ কেজি
হারে জমিতে পানি থাকা অবস্থায় ছিটিয়ে দিন।
🔸 বাড়িতে তৈরি "বায়ো পেস্টিসাইড" ব্যবহার করেও এই পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়।

Copied.....

08/09/2024

#ব্রি_ধান_৪৯ এর জীবনকাল ১৩৫ দিনের স্তরভিত্তিক_বিভাজন ও #সার_প্রয়োগের নিয়ম

স্তর-০ঃ বীজের অংকুরোদগম থেকে চারা পর্যন্ত ২ দিন)
স্তর-১ঃ বীজতলায় চারা অবস্থা ২০-২৫ দিন
স্তর-২ঃ রোপন ও রিকোভারি স্তর ৫ দিন
স্তর-৩ঃ কুশি বৃদ্ধি স্তর ৪৩-৪৮ দিন
(কুশি বৃদ্ধি স্তরে তিনবার ইউরিয়া সার এবং একবার মিউরেট অব পটাশ সার উপরি প্রয়োগ করতে হয়।)
স্তর-৪ঃ পিআই স্তর/কাইচ থোর স্তর ১০ দিন
স্তর-৫ঃ থোর স্তর ১০ দিন
স্তর-৬ঃ শীষ উদগমন ও ফুল ফোটা স্তর ১০ দিন
স্তর-৭ঃ দুধ স্তর ১০ দিন
স্তর-৮ঃ মন্ড বা ডাফ স্তর ১০ দিন
স্তর-৯ঃ পরিপক্ক স্তর ১০ দিন

#বিঘা_প্রতি_সার_প্রয়োগমাত্রা_ও_সুনির্দিষ্ট_সময়:
জমি চাষের শুরুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পঁচা গোবর ছিটিয়ে দিতে হবে এবং জমিতে শেষ চাষ দেওয়ার সময় ৮ কেজি ইউরিয়া, ৭.৫ কেজি এম‌ওপি, ১২-১৫ কেজি টিএসপি, ১০-১২ কেজি জীপসাম এবং ১-১.৫ কেজি জিংক সার মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। জিংক সার আলাদা ছিটাবেন।

#প্রথম_কিস্তি_সার_উপরি_প্রয়োগ_সময়:
ধানের চারা রোপনের ২০-২৫ দিন পর ৮ কেজি ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করবেন।

#২য়_কিস্তি_সার_উপরি_প্রয়োগ_সময়:
ধানের চারা রোপনের ৪০-৪২ দিনের সময় ৮ কেজি ইউরিয়া সার এবং ৭.৫ কেজি মিউরেট অব পটাশ সার উপরি প্রয়োগ করবেন।

সার প্রয়োগের সময় জমিতে ছিপছিপে পানি থাকালে সার দ্রুত কাজ করে।

সোহেল রানা
উপসহকারী কৃষি অফিসার
সদর, ময়মনসিংহ।

ধানের মাজরা পোকা আক্রম লক্ষণ ও সমাধানবিস্তারিতধানের মাজরা পোকা । তিন ধরনের মাজরা পোকা বাংলাদেশের ধান ফসলের ক্ষতি করে। যে...
14/02/2024

ধানের মাজরা পোকা আক্রম লক্ষণ ও সমাধান
বিস্তারিত
ধানের মাজরা পোকা ।

তিন ধরনের মাজরা পোকা বাংলাদেশের ধান ফসলের ক্ষতি করে। যেমন- হলুদ মাজরা। কালো মাথা মাজরা এবং গোলাপী মাজরা । মাজরা পোকার কীড়াগুলো কান্ডের ভেতরে থেকে খাওয়া শুরু করে এবং ধীরে ধীরে গাছের ডিগ পাতার গোড়া খেয়ে কেটে ফেলে। ফলে ডিগ পাতা মারা যায়। একে ‘মরা ডিগ’ বা ‘ডেডহার্ট ’ বলে। গাছে শীষ আসার পূর্ব পর্যন্ত এ ধরনের ক্ষতি হলে মরা ডিগ দেখতে পাওয়া যায়। থোড় আসার আগে মরা ডিগ দেখা দিলে বাড়তি কিছু কুশী উৎপাদন করে গাছ আংশিকভাবে ক্ষতি পূরণ করতে পারে।

ক্রিসেক রোগের অথবা ইঁদুরের ক্ষতির নমুনার সাথে মাঝে মাঝে মাজরা পোকা দ্বারা সৃষ্ট ক্ষত মরা ডিগ বলে ভুল হতে পারে। মরা ডিগ টান দিলেই সহজে উঠে আসে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত গাছের কান্ডে মাজরা পোকা খাওয়ার দরুণ ছিদ্র এবং খাওয়ার জায়গায় পোকার মল দেখতে পাওয়া যায়।

শীষ আসার পর মাজরা পোকা ক্ষতি করলে সম্পূর্ণ শীষ শুকিয়ে যায়। একে ‘সাদা শীষ’, ‘মরা শীষ’ বা ‘হোয়াইট হেড’ বলে। খরায় বা ইঁদুরের ক্ষতির নমুনা হোয়াইট হেড-এর মত দেখা যেতে পারে। কীড়া যদি পাতার খোলের ভেতরে খায় এবং কান্ডের ভেতরের অংশ সম্পূর্ণভাবে কেটে না দেয় তাহলে ধানগাছের আংশিক ক্ষতি হয় এবং শীষের গোড়ার দিকের কিছু ধান চিটা হয়ে যায়।

মাজরা পোকার আক্রমণ হলে, কান্ডের মধ্যে কীড়া, তার খাওয়ার নিদর্শন ও মল পাওয়া যায়, অথবা কান্ডের বাইরের রং বিবর্ণ হয়ে যায় এবং কীড়া বের হয়ে যাওয়ার ছিদ্র থাকে। গাছে মাজরা পোকার ডিমের গাদা দেখলে বুঝতে হবে গাছের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। হলুদ মাজরা পোকা পাতার ওপরের অংশে ডিম পাড়ে এবং গোলাপী মাজরা পোকা পাতার খোলের ভিতরের দিকে ডিম পাড়ে। হলুদ মাজরা পোকার ডিমের গাদার ওপর হালকা ধূসর রঙের একটা আবরণ থাকে। কালোমাথা মাজরা পোকার ডিমের গাদার ওপর মাছের আঁশের মত একটা সাদা আবরণ থাকে, যা ডিম ফোটার আগে ধীরে ধীরে গাঢ় রং ধারণ করে।



মাজরা পোকার কীড়াগুলো ডিম থেকে ফুটে রেরুবার পর আস্তে আস্তে কান্ডের ভেতরে প্রবেশ করে। কীড়ার প্রথমাবস্থায় এক একটি ধানের গুছির মধ্যে অনেকগুলো করে গোলাপী ও কালোমাথা মাজরার কীড়া জড়ো হতে দেখা যায়। কিন্তু হলুদ মাজরা পোকার কীড়া ও পুত্তলীগুলো কান্ডের মধ্যে যে কোন জায়গায় পাওয়া যেতে পারে।

আলোর চার পাশে যদি প্রচুর মাজরা পোকার মথ দেখতে পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে ক্ষেতের মধ্যে মথগুলো ডিম পাড়া শুরু করেছে।

আক্রমণের পূর্বে করণীয়:

১. সঠিক দূরত্বে (লোগো পদ্ধতিতে) চারা রোপন করুন

২. সঠিক বয়সের চারা রোপন করুন।

৩. চারা লাগানোর পরপরই জমিতে পর্যাপ্ত পরিমানে খুঁটি পুতে দিন যাতে সেখানে পাখি বসে পোকা খেতে পারে।

৪. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সুষম সার দিন।

আক্রমণ হলে করণীয়:

জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া সার বা এলোপাথারি বালাই নাশক ব্যবহার করবেন না। নিয়মিতভাবে ক্ষেত পর্যবেক্ষণের সময় মাজরা পোকার মথ ও ডিম সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেললে মাজরা পোকার সংখ্যা ও ক্ষতি অনেক কমে যায়। থোর আসার পূর্ব পর্যন্ত হাতজাল দিয়ে মথ ধরে ধ্বংস করা যায়।

ক্ষেতের মধ্যে ডালপালা (পার্চিং করা) পুঁতে পোকা খেকো পাখির বসার সুযোগ করে দিলে এরা পূর্ণবয়স্ক মথ খেয়ে এদের সংখ্যা কমিয়ে ফেলে। মাজরা পোকার পূর্ণ বয়স্ক মথের প্রাদুর্ভাব যখন বেড়ে যায় তখন ধান ক্ষেত থেকে ২০০-৩০০ মিটার দূরে আলোক ফাঁদ বসিয়ে মাজরা পোকার মথ সংগ্রহ করে মেরে ফেলা যায়।

ধানের জমিতে ১০০ টির মধ্যে ১০-১৫ টি মরা কুশি অথবা ৫ টি মরা শীষ পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক যেমন: কীটনাশকের গ্রুপ নমূনাস্বরুপ কয়েকটি কীটনাশকের বানিজ্যিক নাম ও অনুমোদিত মাত্রা নিচে দেয়া হলো:

কারটাপ(৯২%)+এসিটামিপ্রিড(৩%) #ম্যারাডোনা ৯৫ এস পি (এপি-১৬১৮)

কারটাপ (৫০%) #শারিটাপ ৫০ এসপি (এপি:২৮৪১)

অথবা

ক্লোরোপাইরিফস(৫০%)+সাইপারমেথ্রিন(৫%) #মিশন ৫৫ ইসি (এপি:১৮৩৩)

অথবা
ডাইনোটেফুরান(২০%)+থায়ামোথোক্সাম (৩০%) #ভিডি ম্যাক্স ৫০ ডব্লিউডিজি

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এক্ষেত্রে দানাদার কীটনাশক ব্যবহার না করাই শ্রেয়।

03/02/2024

#টমেটোর ফুল কেন ঝরে?
১) জৈব সার মূল পুষ্টি এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের অভাবে ফুল ঝরে যায়।
২)ফুলের সময় রাসায়নিকের অতিরিক্ত স্প্রে করার কারণেও এই সমস্যা দেখা দেয়।
৩)প্রচণ্ড ঠান্ডা এবং জলবায়ুর পরিবর্তনও এর অন্যতম প্রধান কারণ।

#কীভাবে ফুল ঝরা বন্ধ করার উপায়:
১) গাছগুলিতে ফুল ফোটার সময় অতিরিক্ত পরিমাণে রাসায়নিক স্প্রে করবেন না।
২)ফুলের পতন কমাতে সুষম পরিমাণে এবং সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ করুন।
৩) ইউরিয়া ব্যবহার করার সময় বিশেষ মনোযোগ দিন। অতিরিক্ত ইউরিয়া ব্যবহার গাছের সঠিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করে এবং গাছগুলিতে কম ফুল ফোটে।
৪) উদ্ভিদের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সরবরাহ করুন।
৫)চরম ঠান্ডার কারণে ফুল ঝরে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ঠান্ডা থেকে গাছগুলিকে রক্ষা করার জন্য, জমিতে সেচ দিন। মাটিতে আর্দ্রতা থাকলে মাটির তাপমাত্রা দ্রুত হ্রাস পায় না।

নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি অফিসার অথবা একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড এর প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করুন এতে আপনার খরচ বেশি হবে না কিন্তু সঠিক পরামর্শ পাবেন ইনশাআল্লাহ।

 #বোরো ধান আবাদে বিঘা প্রতি সারের পরিমান:বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে সারের পরিমানইউরিয়া= ৩০ কেজিটিএসপি/ডিএপি= ১৫ কেজিজিপসাম= ১৫ ক...
22/01/2024

#বোরো ধান আবাদে বিঘা প্রতি সারের পরিমান:

বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে সারের পরিমান

ইউরিয়া= ৩০ কেজি
টিএসপি/ডিএপি= ১৫ কেজি
জিপসাম= ১৫ কেজি
পটাশ= ২০-২২ কেজি
জিংক/দস্তা= ১.৫০ কেজি
বোরন = ১ কেজি
ম্যাগসার =২ কেজি

টিএসপি সারের পরিবর্তে ডিএপি সার ৪০% কম প্রয়োগ করতে হবে।

সার প্রয়োগ পদ্ধতি:

জমি তৈরির শেষ চাষে সমস্ত টিএসপি+জিপসাম+বোরন+ম্যাগসার+জিংক (আলাদাভাবে) তিন ভাগের দুই ভাগ পটাশ ছিটিয়ে দিতে পারেন।

জিংক/দস্তা সার প্রথম বা দ্বিতীয় চাষে দেওয়া ভালো।

ইউরিয়া সার তিন কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে।

প্রথম কিস্তি:
চারা রোপনের ১০-১২ দিনের মধ্যে উপরি করতে হবে।

দ্বিতীয় কিস্তি:
চারা রোপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

তৃতীয় কিস্তি: চারা রোপনের ৪৫-৫০ দিনের মধ্যে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এবং তিন ভাগের এক ভাগ পটাশ তৃতীয় কিস্তি ইউরিয়া সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে।

মোঃ ফরিদুল ইসলাম
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
ব্লকঃ ভোটমারী, কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

16/01/2024

বিভিন্ন সারের কাজ, অভাবজনিত লক্ষণ ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলাফল
মোঃ মাশরেফুল আলম, উপজেলা কৃষি অফিসার, জামালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ১৬-০৭-২০১৯ ইং
বিভিন্ন সারের কাজ, অভাবজনিত লক্ষণ ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলাফল
সার সাধারণত গাছপালার বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে থাকে। বাংলাদেশের কৃষিতে মূলত ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক সালফেট এবং বরিক এসিড বা বোরন সার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এ সারগুলোর কাজ, ঘাটতি বা অভাবজনিত লক্ষণ,মাত্রা অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নিম্নে উল্লেখ করা হলো-

ইউরিয়া সারের কাজঃ

ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%। ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে। গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।

নাইট্রোজেনের অভাবজনিত লক্ষণঃ

মাটিতে নাইট্রোজেন পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি বা অভাব দেখা দিলে ক্লোরোফিল সংশ্লেষণের হার অনেকাংশে কমে যায়। ফলে গাছ তার স্বাভাবিক সবুজ রং হারিয়ে ফেলে। এছাড়াও পাতার আকার ছোট হয়ে শাখা প্রশাখার বৃদ্ধি হ্রাস পেয়ে গাছ খাটো হয়ে যায়। পাতার অগ্রভাগ থেকে বিবর্ণতা শুরু হয় এবং বৃন্ত ও শাখা প্রশাখা সরু হয়ে যায়। গোলাপি অথবা হালকা লাল রঙের অস্বাভাবিক বৃন্ত হয়। পুরাতন পাতার মধ্যশিরার শীর্ষভাগ হলুদাভ-বাদামি বর্ণ ধারণ করে পাতা অকালেই ঝরে পড়ে। ফুল ও ফলের আকার কিছুটা ছোট হয়ে ফলন কমে যায়।

ইউরিয়া বেশি মাত্রায় প্রয়োগের ফলাফলঃ

ইউরিয়া সারের প্রয়োগ মাত্রা বেশি হলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়। গাছে ফুল ও ফল উৎপাদন কিছুটা বিলম্বিত হয়ে যায়। এছাড়াও পোকামাকড় ও রোগ আক্রমণের পরিমাণ বেড়ে যায়। অনেক সময় পাতার অংশ ভারি হয়ে গাছ হেলে যায়। অতিরিক্ত নাইট্রোজেন প্রয়োগের কারণে অনেক ফল পানসে হয়ে যায়।

টিএসপি, ডিএপি বা ফসফেট জাতীয় সারের কাজঃ

টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) ও ডিএপি (ডাই এ্যামোনিয়াম ফসফেট)-এই দুটোই হলো ফসফেট জাতীয় রাসায়নিক সার। এই সার দুটোতে শতকরা ২০ ভাগ ফসফরাস থাকে। টিএসপিতে শতকরা ১৩ ভাগ ক্যালসিয়াম এবং ১.৩ ভাগ গন্ধক রয়েছে। ডিএপিতে ফসফেট ছাড়াও ১৮% নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে যার কারণে ডিএপি সার প্রয়োগ করলে বিঘা প্রতি ৫ কেজি ইউরিয়া সার কম দিতে হয়।

ফসফরাস জাতীয় সার কোষ বিভাজনে অংশগ্রহণ করে। শর্করা উৎপাদন ও আত্তীকরণে সহায়তা করে। গাছের মূল বা শিকড় গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। গাছের কাঠামো শক্ত করে গাছকে নেতিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করে থাকে। ফলের পরিপক্কতা ত্বরান্বিত করে থাকে। ফুল, ফল ও বীজের গুণগত মান বাড়াতে সহায়তা করে থাকে।

ফসফরাসের ঘটতিজনিত লক্ষণঃ

মাটিতে ফসফরাসের ঘাটতি দেখা দিলে কাণ্ড ও মূলের বৃদ্ধি হ্রাস পায়। গাছের শাখা প্রশাখা কুণ্ডলিকৃত বা পাকানো হয়ে যায়। গাছের পুরোনো পাতা অসময়ে ঝরে পড়ে। ফুলের উৎপাদন, পার্শ্বীয় কাণ্ড এবং কুড়ির বৃদ্ধি অনেকাংশে কমে যায়। পাতার গোড়া রক্তবর্ণ বা ব্রোনজ রং ধারণ করে থাকে। পাতার পৃষ্ঠভাগ নীলাভ সবুজ বর্ণ ধারণ করে এবং পাতার কিনারে বাদামি বর্ণ হয়ে শুকিয়ে যায়। এছাড়াও গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।

ফসফরাসের মাত্রা বেশি হলেঃ

ফসফরাস প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলে ফলন কমে যায়। গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং অকাল পরিপক্বতা পরিলক্ষিত হয়।

এমপি সার বা পটাশ সারের কাজঃ এমওপি বা মিউরেট অব পটাশ সারে শতকরা ৫০ ভাগ পটাশিয়াম থাকে। এমওপি উদ্ভিদ কোষের ভেদ্যতা রক্ষা করে। উদ্ভিদে শর্করা বা শ্বেতসার দ্রব্য পরিবহনে সহায়তা করে। লৌহ ও ম্যাংগানিজের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। উদ্ভিদে প্রোটিন বা আমিষ উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। উদ্ভিদে পানি পরিশোষণ, আত্তীকরণ ও চলাচলে অর্থাৎ সার্বিক নিয়ন্ত্রণে অংশগ্রহণ করে। গাছের কাঠামো শক্ত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নাইট্রোজেন ও ফসফরাস পরিশোষণে সমতা বজায় রাখে।

এমওপি সারের ঘাটতিজনিত লক্ষণঃ

গাছে পটাশ সারের ঘাটতি দেখা গেলে পুরাতন পাতার কিনারা থেকে বিবর্ণতা শুরু হয়। পরে পাতার আন্তঃশিরায় বাদামি বর্ণের টিস্যু দেখা যায়। এছাড়াও পাতার উপরিভাগে কুঞ্চিত হতে বা ভাঁজ পড়তে থাকে। গাছ বিকৃত আকার ধারণ করে এবং গাছের ছোট আন্তঃপর্বসহ বৃদ্ধি কমে যায়। পরবর্তীতে প্রধান কাণ্ডটি মাটির দিকে হেলে পড়ে। গাছে পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ বেড়ে যায়।

পটাশের পরিমাণ বেশি হলেঃ

জমিতে বা গাছে পটাশ প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলে ক্যালসিয়াম ও বোরনের শোষণ হার কমে যায়। ফলে বোরনের অভাবজনিত লক্ষণ দেখা যায়। পানি নিঃসরণের হার কমে যায় এবং গাছের বৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পায়।

জিপসাম সারের কাজঃ

জিপসাম সারে শতকরা ১৭ ভাাগ গন্ধক এবং ২৩ ভাগ ক্যালসিয়াম রয়েছে। জিপসাম বা গন্ধক প্রোটিন বা আমিষ উৎপাদনে সহায়তা করে। তেল উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গন্ধক ক্লোরোফিল গঠনে ভূমিকা রাখে এবং গাছের বর্ণ সবুজ রাখতে সহায়তা করে। বীজ উৎপাদন এবং হরমোনের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করে।

জিপসামের অভাবজনিত লক্ষণঃ

মাটিতে গন্ধকের অভাব হলে গাছের সবুজ বর্ণ নষ্ট হয়ে কাণ্ড চিকণ হয়ে যায়। গাছের পাতা ফ্যাকাশে সবুজ বা হলুদ বর্ণ ধারণ করে থাকে।

জিপসাম প্রয়োগের মাত্রায় বেশি হলেঃ জমিতে জিপসাম প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলে শিকড়ের বৃদ্ধি কমে যায়। ফলে গাছের শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম কমে যায়।

জিংক সালফেট সারের কাজঃ

সালফেট ( মনোহাইড্রেটে ) শতকরা ৩৬.০ ভাগ দস্তা এবং ১৭.৬ ভাগ গন্ধক রয়েছে। অপরদিকে জিংক সালফেট ( হেপটাহাইড্রেটে ) দস্তা ও গন্ধকের যথাক্রমে ২১.০ % এবং ১০.৫% রয়েছে। এছাড়াও চিলেটেড জিংকে ১০ % দস্তা রয়েছে। জিংক সালফেট (মোনোহাইড্রেট), জিংক সালফেট (হেপটাহাইড্রেট) সারের তুলনায় বেশি পরিমাণে মাটিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কোনো কোনো ফসলে স্প্রে করেও এটি প্রয়োগ করা যায়।

গাছে বিভিন্ন ধরনের হরমোন তৈরিতে দস্তা বা জিংক অংশগ্রহণ করে থাকে। ক্লোরোফিল উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শিম জাতীয় সবজির ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ফলন বাড়িয়ে থাকে।

জিংকের অভাবজনিত লক্ষণঃ

মাটিতে দস্তার ঘাটতি দেখা গেলে গাছের পাতায় তামাটে বা দাগ আকারে বিবর্ণতা পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। পাতা ছোট হয়ে যায় এবং নতুন পাতার গোড়ার দিক হতে বিবর্ণতা দেখা যায়। বিশেষ করে আন্তঃশিরায় বিবর্ণতা বেশি দেখা যায়।

জিংক প্রয়োগের মাত্রা বেশি হলেঃ

জমিতে জিংকের পরিমাণ বেশি হলে গাছে বিষক্রিয়া তৈরি হয়। এছাড়াও অতিরিক্ত দস্তা প্রয়োগে আমিষ উৎপাদন ব্যাহত হয়।

বোরন সারের কাজঃ

বোরিক এসিডে ১৭ % এবং সলুবোর বোরণে ২০% বোরণ থাকে। এটি গাছের কোষ বৃদ্ধিতে এবং পাতা ও ফুলের রং আকর্ষণীয় করতে সাহায্য করে। পরাগরেণু সবল ও সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। বীজ উৎপাদনে সাহায্য করে এবং চিটা হওয়া রোধ করে থাকে। বোরন গাছে ফুল ও ফল ধারণে সাহায্য করে এবং ফলের বিকৃতি রোধ সহায়তা করে।

বোরনের ঘাটতিজনিত লক্ষণঃ

বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। এছাড়াও গাছের অগ্রভাগ মরে যায়, কাণ্ড কালো বর্ণ ধারণ করে। শিকড়ের বৃদ্ধি কমে যায়। সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়। পেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারা ইত্যাদি ফলের আকার বিকৃত হয়ে অপরিপক্ক অবস্থায় ফল ঝরে যায়।

বোরন প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলেঃ

বোরণের প্রয়োগ মাত্রা বেশি হলে কচি পাতা এবং ডগা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফলন অনেক কমে যায়।

 #বালাইনাশকের_ফরমূলেশনবালাইনাশকের বোতল/প্যাকেটে নামের শেষে কিছু সাংকেতিক অক্ষর দেখা যায়।যা অনেকের আজানা.....তহলে চলুন জে...
10/01/2024

#বালাইনাশকের_ফরমূলেশন

বালাইনাশকের বোতল/প্যাকেটে নামের শেষে কিছু সাংকেতিক অক্ষর দেখা যায়।
যা অনেকের আজানা.....
তহলে চলুন জেনে নিই কোন চিহ্ন দিয়ে কি বোঝানো হয়েছে.....

DC--- Dispersible Concentrate (বিচ্ছুরণযোগ্য ঘনীভূত তরল)
DF--- Dry Flowables (শুকনো প্রবাহিত পদার্থ)
DP--- Dust or Water DispersibIe Powder (পানিতে দ্রবনীয় পাউডার)
EC--- Emulsifiable Concentrate (ঘনীভূত তরল)
G --- Granule (দানা)
GR -- Granule (দানা)
SC-- Suspension/Soluble concentrate (পানিতে দ্রবনীয় তরল)
SG-- SoIubIe GranuIe ( পানিতে দ্রবনীয় দানা)
SL-- SoIubIe Liqid (মিশ্রনযোগ্য তরল)
SP-- SoIubIe Powder (দ্রবনীয় গুড়া)
WDG-- Water DispersibIe GranuIe (পানিতে দ্রবনীয় দানা)
WG-- Wettable Granuie দ্রবনীয় ছোট ছোট দানা
WP-- Wettable Powder দ্রবনীয় গুড়া
WS-- Wettable slurry

Address

Shaymoli Hall Building(West Side 2nd Floor)
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ACME Pesticides Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ACME Pesticides Limited:

Share